সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

।।ব্যোমকেশ।। - HOICHOI TV ORIGINALS


লজিক নয়,অভিনয় দেখুন শুধু।


REVIEW: আদিত্য ঘোষ।

রেটিং-৪.৫/৫

হইচই পড়ে গেছে।শহরের মোড়ে মোড়ে তার হেডিং।সোশ্যাল মিডিয়ায় তার পোস্টার।মুখে মুখে তার প্রশংসা।হ্যাঁ, ওয়েব সিরিজ ব্যোমকেশ মন ছুঁয়ে গেছে।হইচই এর অনবদ্য প্রয়াসকে স্বাগত।স্বাগত অনির্বান ভট্টাচার্যকে।স্বাগত এসভিফকে।গ্রামোফোন রহস্য আর সত্যিই রহস্য নেই।মাকড়সার রসে একেবারে মজে গেছে আপামর বাঙালি।অনেক পরীক্ষার পর হয়ত বাংলা ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি আর একটা ভালো ব্যোমকেশ পেল।স্বল্প সময়ের গল্পগুলো স্পষ্ট বুজিয়ে দিল যে বাংলা সিনেমা অনেক এগিয়ে গেছে।এগিয়ে গেছে টেকনিক্যালিটিস।দেখার ভঙ্গি থেকে বোঝার নিয়ম সবই পাল্টে গেছে।ব্যোমকেশ এবং অজিত বাবুর সূচনা থেকে সত্যবতীর পথচলা আবার ভাবতে বসাল।তবে আপনি যদি এই সিনেমার খুঁত ধরতে যান তবে বলব ভুল করছেন।তাহলে অনেক কিছুই আপনি নিজেই সল্ভ করে দেবেন।আর ব্যোমকেশের প্রয়োজন হবে না।স্ক্রিপ্ট খুবই সাদামাটা।ডায়লগ বেশ কিছু জায়গায় নড়বড়ে।তবে অভিনয় এই সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে।ছাপিয়ে গেছে অনির্বান বাবু।এই ছেলেটাকে যত দেখছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি।আর সময়কাল নিয়ে যদি কিছু বলতেই হয় তবে বলব মনেই হয়নি যে বিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আছি।এই জন্য অনেক ধন্যবাদ পরিচালকে।আর অবশ্যই আর্ট ডিরেক্টরকে।আর বেশি কিছু বলব না।যাঁরা দেখেনি তারা দেখে ফেলুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...