সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

an interview

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------- অনিন্দিতা


কেন কি জানি অনেক প্রশ্ন জেগেছিল,সে চিরকালই আমি একটু বেশিই কৌতূহলী তার জন্য সমস্যা থেকেই যায়।  এবারেও তাই তবে কোনো গণ্ডগোল পাকাই নি এই বাঁচোয়া। এক মেলায় গিয়ে বাচ্চা ছেলেকে দেখে যাকে এক কথায় জকি বলে,ডেকে জিজ্ঞেস করলাম। 

আমি- এই ভাই শোনো, তোমাদের আর রাউন্ড হবে নাকি?
(দিদি পাশ থেকে বলল -এর সাথেও দরকার?)

ছেলে- নেই হয়ে গেসে। আমাদের এবার পেরাইজ দেবে।

 আমি-  ঘোড়াই চালাও?  আর পড়াশোনা না কর না?

 ছেলে-      (ঘোড়া থেকে নেমে পড়লো শটাং)
 পড়তি পারি নি গো, আমার বাপ তো খুব গরীব আমায় পড়াতি পারবেনি বলে দেচে। তাই মালিকের কাছে বেচে দেচে ১ বচ্চরের জন্যি পাঁয় (৫) হাজার পাঁয়স্স(৫০০) দে। 

আমি- ওমা আর ১ বছর গেলে? মালিক খেতে দেয়? কোথায় থাকো? একা?

ছেলে- এক বচ্চর গেলে অন্য মালিক খুইতে(খুঁজতে)  হবে, খেতি দিবে নি কেন ২ বার খেতি দেয় বাপ তো পারতুনি তবে কায়বায়(কাজবাজ) বেশি থাকলে উতে কিছু হয় না কো দিদি। আমার মতো ছেলে আরো ২টো আছে আমরা ওই ঘোড়া দের সাথেই থাকি। আমি আসতিছি পেরাইজ দিলো বলে। মাল খাওয়াবে বলেছে। তবে ঘোড় দৌড় থাকলে মাল না খেলি ঠিক ঘোড়া ছোটে নাকো তাই একটু চুল্লু খেয়েসিলুম বটে।
 

আমি- সেকি এই বয়েসে মদ খাও? মানে খাওয়ায়?

ছেলে- (ঘোড়া তে উঠে যেতে যেতে বলল পিছন দিকে তাকিয়ে)
মালিক বলেচে মদ্দ হয়ে উঠতি, মাল না খেলে মদ্দ কেমনে হব?

(আমি আমি সত্যিই একটু অবাক পরে অনেক খেয়াল এসেছিল প্রশ্ন করার সে আর কই?)

তবে "মদ খেয়ে মদ্দ" হওয়ার কথাটা আমার গেঁথেই গেল.... 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...