সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কেন বায়োগ্রাফি প্রত্যাখ্যান করলেন নওয়াজ?


কিছুদিন আগে নওয়াজের একটা কথা সারা ফেলে দিয়েছিল নেট দুনিয়ায়।দুজন মহিলার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে বায়োগ্রাফিতে নানা কথা লিখেছিলেন তিনি। তবে সবটাই করেছিলেন ওই মহিলাদের অনুমতি ছাড়াই।
এই ঘটনার পর তাঁর কো স্টার নিহারিকা (যিনি এক সময় নওয়াজের ঘনিষ্ঠ ছিলেন)নওয়াজের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর পরই নওয়াজ টুইট করে ক্ষমা চায় ওই সকল মহিলাদের কাছে এবং তাঁর বায়োগ্রাফিটি প্রত্যাখ্যান করবেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে তিনি কিছু কথা লিখেছিলেন তাঁর বায়গ্রাফিতে ‘প্রায় সব মেয়ের সঙ্গেই দেখা করতাম,সম্পর্ক হত,তারপর বিছানায় চলে যেতাম,তবে সেটা একেবারেই ভালবাসার সম্পর্ক নয়’- সকলে পড়ে হয়ত চমকে যাবেন। কিন্তু ঠিক এরকমই কথা তিনি জানিয়েছেন এবং তা লেখাও আছে তাঁর বায়োগ্রাফিতে ।তিনি একজন বড় মাপের অভিনেতা সেই বিষয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। তবে তাঁর বায়োগ্রাফি তে যা লেখা আছে তা পরলে আপনার ধারনাই বদলে যাবে।
নওয়াজ জানিয়েছেন , “একদিন এক শ্যুটিং সেটে আমি আর আমার কো স্টার নীহারিকা সিং( অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া ) ডান্স সিকোয়েন্স নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, হটাত নীহারিকার একটা অসুবিধা হয় আর সে দৌড়ে মেকআপ ভ্যানে চলে যায়। পরিচালক জানায় ‘কাট’। আমি তাকে অনেকবার জিজ্ঞাসা করার পরও তাঁর কাছ থেকে কোন উত্তর পাইনা। তারপর আমি আর তাকে জিজ্ঞাসা করা বন্ধ করে দিই। একদিন তাকে আমার বাড়িতে ডাকি কিছু রান্না করে একসঙ্গে ডিনার করব বলে। সেদিন নীহারিকা এক অসাধারণ সিল্কের পোশাক পড়ে আসে আমার বাড়িতে। তারপর সে যথারীতি রান্না করে, একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া পর্ব মিটিয়ে গল্পে মজি। তাকে এতটাই অপূর্ব লাগছিল যে,আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি। দুজনের ইচ্ছাতেই সম্পর্ক টা বিছানায় এগোয়।
নওয়াজ জানিয়েছেন , “একদিন এক শ্যুটিং সেটে আমি আর আমার কো স্টার নীহারিকা সিং( অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া ) ডান্স সিকোয়েন্স নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, হটাত নীহারিকার একটা অসুবিধা হয় আর সে দৌড়ে মেকআপ ভ্যানে চলে যায়। পরিচালক জানায় ‘কাট’। আমি তাকে অনেকবার জিজ্ঞাসা করার পরও তাঁর কাছ থেকে কোন উত্তর পাইনা। তারপর আমি আর তাকে জিজ্ঞাসা করা বন্ধ করে দিই। একদিন তাকে আমার বাড়িতে ডাকি কিছু রান্না করে একসঙ্গে ডিনার করব বলে। সেদিন নীহারিকা এক অসাধারণ সিল্কের পোশাক পড়ে আসে আমার বাড়িতে। তারপর সে যথারীতি রান্না করে, একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া পর্ব মিটিয়ে গল্পে মজি। তাকে এতটাই অপূর্ব লাগছিল যে,আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি। দুজনের ইচ্ছাতেই সম্পর্ক টা বিছানায় এগোয়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...