সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

rasta


-------------------------------------------------------------------------------------সোহিনী

সেদিন যেতে চায়নি পৌষালি জোর করে নিয়ে গেছিলো সায়ান যদিও অতীতের হিজিবিজি কাটা গোলকধাঁধা তবুও বর্তমানের আলোকছটায় সেটা অনেকটা আবছা এখন বিয়েটা বাড়ির লোক জোর করেই দিয়েছিলো একপ্রকার ঝুপ ঝুপ বৃষ্টির শব্দ সাথে এ.আর রহমান এর গান ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে লং ড্রাইভ টা বেশ উপভোগ করছিলো সায়ান পৌষালি তখন ও গোলক ধাঁধায় ঘুরছে আলো আঁধারি রাস্তা তখন শুধুই মরীচিকা তার কাছে... সৌমিত চলে যাওয়ার পর থেকে সে মু ষড়ে পড়েছিল একেবারেই .... সায়ান কে সে কোনোদিন ই গ্রহণ করতে পারেনি... হটাৎ একটা শব্দ .. সায়ানের ফোর হুইলারের দম শেষ ... এবার একটু বিরক্তই লাগছিলো পৌষালির গাড়ির জানালাটা বন্ধই ছিল তাই আনমনা পৌষালি রাস্তার মারপ্যাচ খেয়াল করেনি গাড়ি থেকে আনমনে নামতেই তার সারা শরীর শিহরিত হয় ... সেই ফুলপাহাড়ের রাস্তা সেই মেদিনীপুরের জঙ্গল !! হ্যাঁ !! এইখানেই তো সব শেষ হয়েছিল তার দীঘা থেকে ফেরার সময় এখানেই তো দুষ্কৃতীরা সৌমিত কে তার চোখের সামনে !!! আর ভাবতে পারছেনা সে চোখ বুজে এল তার পৌষালি এই ওঠ কিরে? সৌমিত ! এসেছিস তুই জানিস কত ডেকেছি তোকে ? চুপ! কি করছিস তুই এটা ? সায়ান ভালোবাসে তোকে তুই আমাকে হারিয়ে যে যন্ত্রনা টা পাচ্ছিস সেটা সায়ান তোর উপস্থিতি সত্ত্বেও সায়ান সেটা ভোগ করে .. তুই তো জানিস সেই যন্ত্রণার মর্ম আমি অতীত আমাকে তুই স্মৃতি তে রাখ আর সায়ান কে তোর হৃদয়ে ... সৌমিত যাসনা !! দাঁড়া পৌষালি কিগো ওঠো কি হলো ?? হ্যাঁ !! হ্যাঁ !! কে ?? ওহ তুমি !!কিন্তু !!! তোমাকে বোধয় আজকে একটু বেশি বিরক্ত করে ফেলেছি ! চলো বাড়ি ফায়ার যাই !! নাহ সায়ান এই তো সবে পথ চলা শুরু করলাম আরো অনেকটা রাস্তা চলা বাকি একসাথে !!

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...