সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নির্বাসিত চিরকুট

নির্বাসিত চিরকুট

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------ -চিরকুট চট্টোরাজ আকাশ পড়ল ভেঙেতাই তো ঘাসের বুকে রক্তহলদে- সবুজ ঘোলাটে চোখেফসফরাসের ঘ্রাণহাজারো অভিমান।নির্বাসিত কবিআর আঁততায়ি কলমপ্রজননে বাড়ে বিজ্ঞাপণআর একটা কলঙ্কিত সকাল।গ্রন্থসাহেব ঘুমায় পাশ ফিরেপেশোয়ারে আজান রূপী শ্লোগান-বরই খিটকেলেআমি আবার কলম ধরলাম শখেনিদারুণ অক্লেশে।চিন্তা গুলো নাকি বুর্জোয়া জাতিখবরের শিরনামে মায়ের কান্নাঅপ্রাসঙ্গিক।হে মহামান্য বিচারপতিইসলামিক হোক বা হিন্দুত্ব বাদের নামাবলী;আমি তো কবিতা ছড়াতে চেয়েছিলামবন্দুকের ট্রিগারে,বেওনেটে বোঝাই করতে চেয়েছিলামম্যান্ডলিনের সুরঅথবা, ধ্বংসপুঞ্জে আঁকতে চেয়েছিলামপর্দা ওড়া জাতিয়তাবাদ,তাই কি-আমি নির্বাসিত,এই সাম্রাজ্যবাদের তকমা আঁটাগ্রহ থেকে?জাজমেন্টের সময় কাছে এলেআমি ব্লেড প্রিয় আততায়ীআর ঘুম কাতুরে সাংবাদিকতায়কবিতা প্রিয়কাগজ প্রিয়কালি প্রিয়দেশদ্রোহী।আমিতো ধ্বংসের বাগানেসাজাতে চেয়েছিলাম গোলাপঘরে ঘরে প্লেটনিক থিয়োরি।হে আমার মদ প্রিয় জেসাসআমি তো বাতিল হয়ে গেলামমানচিত্র থেকেবহু দূরে... নির্বাসিত উপত্যকায়আজও কবিতা লিখিগল্প সাজাই গানেহয়ত আদর প্রিয় মুক্তি যোদ্ধা হিসেবেনয়তো বা বারুদ প্রিয়-চিরকুটে।। -চিরকুট চট্টোরাজ




Review: kono chirkut j nirbasito hoyna tar kothai uthe elo kobita jure.....anando pelam

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...