সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

REVIEW: ধূসর

 --------------------------------------------------------------------------------------------------------BY ADITYA




“মন খারাপের রঙ নাকি লাল”! আচ্ছা , ধূসর কি কোনো রঙ নাকি শুধুই ধূসর ? নাকি ধূসর একটা দুঃখ , ভালোবাসা , যৌনতা , বন্ধুত্ব ,সময় ? – প্রশ্নটা সহজ কিন্তু উত্তরটা জটিল ।  আসলে ধূসর একটা নিদারুন অভিব্যক্তি । কতগুলো সম্পর্কের জটিল সমীকরণ । ধূসর অনেককাল আগের একটা পাতা ঝরা শীতকালের গল্প।
নাটকের শুরু থেকেই চোখে পড়ার মতন ছিল ডিজাইন , সিফটিং , আর মিউজিকের ব্যবহার । যদিও পরিচালক  তাঁর নাটকে আলো এবং সেটস বেশ ছিমছাম রাখতেই বেশি  পছন্দ করেছেন, যদিও সেটা প্রযোজনা মাফিকই হয়েছে । কোথাও মনে হয়নি অতিরিক্ত । অভিনয়ের প্রসঙ্গে বলতে গেলে , অনন্যা ওরফে অঙ্কিতা মাঝি আর কৃষাণু ওরফে সুমিত রায়  কোথাও গিয়ে কোনো কথা বলার সুযোগই দিলো না । যদিও যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন মউ আর  জোনাক । বাকি চরিত্রগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আসা যাওয়া করেছে । তাদেরও আধিপত্য বিস্তার করেছে মঞ্চে  । পরিচালক শান্তনু বুঝিয়ে দিলেন সামান্য পুঁজি নিয়েও একটা অসামান্য প্রযোজনার সফল মঞ্চায়ন সম্ভব । আর বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার নাট্যকার সৌপ্তিক পাল এর কাছে , তিনি যে গল্পটা ধার করেছিলেন “E.L .JAMES’’ এর ‘’FITFY SHADES SERIES’’  থেকে সেটা তিনি সুদে আসলে ফিরিয়ে দিলেন ।  যোগ্য সঙ্গত দিয়েছে বাকি কলাকুশলীরাও । 

সম্পর্কগুলো কোনো ধূসর পাণ্ডুলিপিতে আটকে থাকেনি , তারা প্রান পেয়েছে। প্রোজেক্ট ড্রিম বিক্রি হতেই পারে কিন্তু দিনের শেষে সেও নিজের মুখোমুখি হয়েছে , বিয়ারের ক্যান থেকে কফি কাপ কিংবা ভিন্ন ঘরানায় গড়া দুটো জীবনও মুক্ত হয়েছে আকাশের নীচে । আমার বলতে ইচ্ছে করছে , “ শুধু শরীর শরীর  , তোমার কি মন নাই কুসুম ”- আমি বলি মন থাকলেই তো মনকেমন ………
হুজ্জুত এবং খড়দহ ব্রাত্যজনের যৌথ  এই প্রয়াস আরও সফল হোক । তারা সমস্ত বাঁধা অতিক্রম করে আরও এগিয়ে যাক । ভালো থাকুক সম্পর্কের বেড়াজাল । ভালো থাকুক সাদা – কালো ফ্রেমের দূরত্ব । ভালো থাকুক ধূসর এই সময় ।



  



ADITYA GHOSH.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...