সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভূত আমার পূত


------------------------------------------------------------------------------------------------------Santu Mukhopadhyay




ভূত আমার পূত
                পেত্নী আমার ঝি
                রাম লক্ষন সাথে আছে
(বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সৌজন্যে ভূতেরাও শহর ছেড়ে পলাতক)   
                করবে আমার কী?  

যারা এই মাত্র লেখাটির শীর্ষনাম পড়ে eternal politics এর গন্ধে নাসিকা রন্ধ্রে 
উত্তেজনা অনুভব করছেন তারা দয়া করে সবাই লেখাটির থেকে বিরত থাকুন। কারণ আমার মতে পৃথিবীতে যা কিছু exist করে,যা কিছু reality তা সব কিছুই political,apolitical বলে কিছু নেই।ফলে ভূতেরাও the most important actor in the field of politics( যদি ধরে নেওয়া যায় তাঁরা আছেন, দয়া করে আমাকে চূড়ান্ত অবৈজ্ঞানিক অথবা আস্তিক বলে ভৎসনা করবেন না) ।।
এবার লেখাটির তাৎপর্য গত গুরুত্বে মনোনিবেশ করা যাক, বর্তমান সমাজের ব‍্যঙ্গ বিন্যাসের ফলে(থুড়ি বঙ্গ বিন্যাসে, দিদি নিজ গুণে ক্ষমা করবেন) যেভাবে তীব্র গতিতে ভূতেদের মধ্যে aversion জন্ম নিচ্ছে তাতে তাঁরা যদি ছোট খাটো বিপ্লবের ( proletariat Revolution, Marx বাবা জীবন ক্ষমা করবেন, আপনি আমাদের মাই বাপ দয়া করে মনঃক্ষুণ্ণ হবেন না,Das না হতে পারি,তবে capital তো প্রচুর কামাচ্ছে আ"বাল"বৃদ্ধবনিতা) ষড়যন্ত্র করে থাকে তবে আশ্চর্য হব না।আর সেই অতি প্রাকৃতিক বিপ্লবের সন্ত্রাস(Maoist বলে আখ্যা দেন যদি দিতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে তৃণভোজী হওয়া বাঞ্ছনীয়) পশ্চিমবঙ্গের মঙ্গল জননী ঠেকাতে পারবেন? এখন প্রশ্ন হলো ভূতেদের জন্যে কত নং ধারা জারি করা হবে? যদিও Constitution এ ভূতেদের জন্যে কোনরকম ধারা অব্যাহত আছে কিনা জানা নেই, যদি জানা থাকে তবে জানাবেন amendment এর নির্দেশ গ্ৰহন‍্য হবে( তবে এক্ষেত্রে supreme court এরূপ ধৃষ্টতা প্রদর্শন করার জন্যে দু'বার সাজা প্রদান করলে তা অবিলম্বে বলবৎ করা হবে)।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...