সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান


                                                          স্টা র বা ক স্-  ঐ শী  
                        
                              

১৯৭১ এ সিটেলস্ পাইক প্লেস মার্কেট থেকে সারা পৃথিবী ঘুরতে ঘুরতে গত ২১ শে মার্চ কলকাতা। হ্যাঁ ঠিকঠাকই ধরেছেন,আমি স্টারবাকস্ -এর কথাই বলছি। 

বেশ কিছুদিন ধরে কলকাতায় উত্তেজনার পারদ চড়ছিল।ফাইনালি সব উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে কলকাতায় খুলে গেছে স্টারবাকস্-এর তিনটি আউটলেট।পার্ক ম্যানসন,সাউথ সিটি এবং অ্যাক্রোপলিস।

ইন্স্টাগ্রাম প্রেমীদের কাছে এ এক এলাহি ব্যাপার।এতোদিন দিল্লি,চেন্নাই,মুম্বই এবং আরো বেশ কিছু বড় বড় শহরে স্টারবাকস্ থাকলেও, কলকাতার আমোদপ্রেমী মধ্যবিত্ত ঠিক কুল করে উঠতে পারছিলনা।অবশেষে #SturbucksInKolkata -সাকসেসফুল।


                                            (নিজস্ব চিত্র )

আমি ব্যক্তিগতভাবে কলকাতার বাইরে স্টারবাকস্ প্রথম ট্রাই করেছি।সত্যি বলতে অ্যাটমোসফিয়ারে একটি ক্লাসি কফি সপ ছাড়া আলাদা করে কিছু মনে হয়নি।

কিন্তু কলকাতার ক্ষেত্রে চিত্রটা একেবারেই আলাদা।সেটা পুরোটাই নতুন পাওয়ার আনন্দ সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় এগিয়ে থাকার ঝড়।

মার্চ-এপ্রিল এর এই গরম সাথে স্টারবাকস্-র গ্লাস হাতে নিয়ে সেলফি তে অ্যাটলিস্ট কলকাতার জেন-ওয়াই তো পিছিয়ে থাকতে চায়না।আমি তো একেবারেই না।

তবে হ্যাঁ যারা এখনো ট্রাই করেননি তাদের ক্ষেত্রে বলে রাখি উচ্চ মধ্যবিত্তদের কাছে এটা একপ্রকার কফি হাউজ হলেও নিম্ন মধ্যবিত্তের কাছে কোন এক রবিবারের বিকেল ছাড়া বেশি কিছু হওয়ার সম্ভাবনা না করাই ভালো।


বি:দ্র:- বেশি না ভেবে দেখুন আজ বিকেলেই একবার না হয় তাঁর সাথে ঢুঁ মেরেই আসুন।

আউটলেট: পার্ক ম্যানসন(পার্কস্ট্রীট),সাউথ সিটিমল,অ্যাক্রোপলিস মল।
         খরচ: মোটামুটি ৭০০ ( ফর টু)( যদিও আপনি কী নেবেন, সেটার ওপর নির্ভর করছে খরচ ) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...