সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

review

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
  || দূর্গাসহায় ||
                     অরিন্দম শীল প্রযোজিত
review by: anindita
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

যার অতীত টা কয়লা সেও ভালোবাসা পেলে হীরে হয়ে যায়।
'দূর্গাসহায়' আয়া বেশের চোর কে ভালোবাসা দিয়ে ছোটোবউদির 'মা' হয়ে ওঠার একটা কাহিনী।  খারাপ কে খারাপ বেসে না ভালোবাসলে সে তোমায় উজার করে দেবে সবটা- এটাই আসল সারমর্ম।  আয়া হিসেবে আসা দূগগার ছোটো বউ-য়ের ভালোবাসা তে পালটে যাওয়া হয়তো গভীর একটা আচঁড় কেটে বলেছে - 'ভালোবেসেই দেখো।'
দূর্গা চোর তাকে বাড়িতে রাখার কারণ পারদপক্ষে  না থাকলেও ছোটো বউ-এর মেয়ের রূপ তা দূর্গার মধ্যে দেখতে চেয়েই বিরোধ করে ভালোবাসতে হয়েছিল চোর টাকে।  আর সত্যিই তো তার কথা টা তো ঠিক ই-
"চুরি করার থেকে চুরির লোভ টা বেশি ক্ষতি কারক না? সেটা সংবরণ করতে পারলেই হল। কেউ ধরা পরে,কেউ পরে না -এটাই ফারাক।"
লোভী যে সবাই তবুও দোষ হয় সেই চোরের। তেমনি খারাপ কে খারাপ বলে নিজের গা থেকে দোষ সরিয়ে নিলেও বদলানোর চেষ্টা টা করে বোধ হয় গুটিকতক।  তারপর মেয়েটার 'বাড়ির মেয়ে' হয়ে ওঠার গল্প। দূর্গার তখন সহায় হওয়ার গল্প - কখনো ভালোবেসে সব কাজ করে, কখনো গান শুনিয়ে,বাড়ির দূর্গা পুজোর জোগাড়ে একাই দশভুজা হয়ে বা বাড়ির ভাইয়ে মারের বিধ্বংসী প্রতিবাদে লিপ্ত হয়ে।  তবুও শেষ রক্ষার চেষ্টা, ডাকাত স্বামী ওরফে মাধবের ষড়যন্ত্র-এ অনিচ্ছা তে জড়িয়েও ও বাড়ির ভালোবাসার কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হওয়ার গল্প এই 'দূর্গাসহায়'।
তবে সবটা থাকলেও কেমন জানো
         "শেষ হইয়াও হইলো না শেষ "
শুরু থেকে রোমহর্ষক কিছু প্রতিবাদ আর পালটে যাওয়া তে অনেক প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছিল শেষটা যেন আর দাঁড়ি টানতে পারলো না অদ্ভুত এক প্রত্যাশা রেখে দিয়ে চলে গেল।
তাই থিম নিয়ে ৫ -এ ৩ দিলেও অতৃপ্তির জন্য তা ২.৫ -এ থাকুক।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...