সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সীমাবদ্ধ ভাঙচুর।।

---------------------------------------------------------------------by Antorip






মনের অন্ত‍্যমিলে চেনা ছন্দকে খুঁজে পেতে চেয়েছি বার বার, আধুনিক সভ্যতার আনুমানিক বাস্তবতার অনুরণন কে আগ্ৰাধিকার দিয়েছি বেশি আবেগের মূর্চ্ছনার তুলনায়, কিন্তু এ শহর হারিয়েছে মনুষ্যত্বের মঞ্চায়ন, হারিয়েছে বিশ্বাস, স্বাভাবিকত্ব,সহজতা, সরলতা।আজ শুধুই শহর জুড়ে commercialism, retaliation, nihilism, absolutismএর cacophony।তাই আর সভ‍্য হব না, বরং অসভ‍্যতার দাবি গুলোকে জেহাদ ও বিপ্লবের পোষাকী মুখোশ পরিয়ে বর্বর হবো।
সস্তার বেআব্রুতায় সমাজ Vail of ignorance এ আচ্ছাদিত, শিশু হারিয়েছে শৈশব,মা হারিয়েছে তার মাতৃত্ব, পুরুষের পশুত্বে নারী হারিয়েছে নারীত্ব, শহর ভুলেছে রোদেলা স্মৃতিময় বিকেল, বৃষ্টি হারিয়েছে তার একান্ত ব‍্যক্তিগত হৃদয়ের অবাধ্যতা।সভ্যতা তার বাঁক নিয়েছে প্রতিক্রিয়াহীনতায়। ইতিহাস ভুলেছে বিরুদ্ধতার পাঠ।এর থেকে বর্বরতা বোধহয় অনেক ভালো। এই নিষ্ক্রিয় সমাজের অকাল মৃত্যু হোক, যেখানে স্থান নেই মনুষ্যত্বের, ক্ষুদার, আবেগের, অনুভূতির,মূল‍্যবোধের,শিক্ষার । সমাজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি, শিল্প অচলায়তনে পর্যভূষিত। চারিদিকে যন্ত্রের হুংকার।এর চেয়ে বোধহয় মানুষের আবেগ প্রকাশ এর সহজ সরল মাধ্যম গুলি ভালো ছিল। অকাট্য তুরুপের মতো কঠিন কড়াল বাস্তবতার আঘাতে আমরা বোধহয় ভুলতে বসেছি"নহি যন্ত্র নহি যন্ত্র মোরা প্রাণী"

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...