সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

''আপনি কি প্রেম করছেন?'' উত্তরে কী জানালেন অভিনেত্রী এনা সাহা, জেনে নিন



টলিপাড়ার কান পাতলেই নাকি শোনা যাচ্ছে ‘’ এনা সাহা আর আরিয়ান ভৌমিক প্রেম করছেন!’’ কিছু লোকে বলছেন, ‘’ওসব গুজব!’’ আবার কেউ কেউ বলছেন, ‘’ ডাল মে কুছ তো কালা হে!’’ তবে সম্প্রতি আরিয়ান ভৌমিক আর এনা সাহাকে একসঙ্গে বহুবার দেখা গিয়েছে বলে খবর! শুধু তাই নয় গত বছরে তাঁরা একসঙ্গে দুটি ছবিতেও কাজ করেছেন। এছাড়াও তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটলে, তাঁদের ছবি চোখে পরেছে বহু নেটিজেনদের। তাঁদের মধ্যে আবার কেউ কেউ কমেন্ট করে জিজ্ঞাসাও করেছেন, ‘’ আপনরা কি প্রেম করছেন?’’



কিন্তু আটপৌরেকে অভিনেত্রী এনা সাহা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিলেন যে, ‘’ না! প্রেম আমরা করছি না। তবে আরিয়ান আমার এই মুহূর্তে খুব ভাল বন্ধু, যাকে বলে বেস্ট ফ্রেন্ড।‘’ একটু থেমে আবার বললেন, ‘’ অনেকে অনেক কিছু বলছে, তবে তাতে আমার কিছু এসে যায় না। আমরা বন্ধু মাত্র। গত বছরে আমরা দুটো ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছি, তাই সেই জন্য অনেকটা সময় আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছি, ব্যস এর চেয়ে বেশী কিছু নয়।‘’ 



এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও জানালেন যে, ‘’ আমরা এখনও সময় পেলে দেখা করি, আড্ডা মারি।  যেমন দুজন বন্ধু করে ঠিক তেমনই, খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। ওসব প্রেম-ভালবাসা নেই।‘’ ‘’ তাহলে আপনি কি সিঙ্গেল ?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে বললেন, ‘’ হ্যাঁ, একদম! আমি সিঙ্গেল।‘’
নতুন কাজ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানালেন, ‘’ খুব শিগগিরি নতুন খবর পাবেন! তবে এই মুহূর্তে কিছু বলব না। তবে অনেকগুলো খবর একসঙ্গে পাবেন।‘’




এই মুহূর্তে তিনি ফটোশুটে ব্যস্ত রয়েছেন। শুধু ফটোশুট নয়, কাজের ফাঁকে তাঁর ঘুরতে যাওয়াতেও খামতি নেই। সম্প্রতি নর্থ বেঙ্গল গিয়েছিলেন তিনি। জিজ্ঞাসা করলাম ‘’একা গিয়েছিলেন ?’’ হাসতে হাসতে তিনি বললেন, ‘’ না না! ফ্যামিলির সঙ্গে।‘’

( সাক্ষাৎকার- আদিত্য ঘোষ 
ছবি- সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...