সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

“কলকাতা নৃত্য উৎসব ২০১৯” শীর্ষক এই নৃত্যানুষ্ঠানে কিছু মুহূর্ত দেখে নিন ছবিতে ছবিতে


গান বাজনা বা আবৃত্তির একক এবং দলবদ্ধ অনুষ্ঠান আমরা অনেক দেখে থাকি - কিন্তু শুধু নাচের ওপর তিন ঘন্টার অনুষ্ঠান? কোন নৃত্যনাট্য বা ব্যালে নয়, শুধুই বিভিন্ন শিল্পীদের একক / দলগত নৃত্যানুষ্ঠান নিয়ে একটা গোটা অনুষ্ঠান খুব বেশী দেখা যায় না।



 সেরকমই একটা অনুষ্ঠানের সাক্ষী হয়ে থাকলেন মধুসূদন মঞ্চের শ'দুয়েক দর্শক।



 “কলকাতা নৃত্য উৎসব ২০১৯” শীর্ষক এই নৃত্যানুষ্ঠানে কত্থক, ওড়িশি, কুচিপুড়ি, মণিপুরী, মোহিনী আট্যম, ভারতনাট্যম এর পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্ভাবনী নৃত্যের নানা অনুষ্ঠান মিলে এক মনোজ্ঞ সন্ধ্যা আমাদের উপহার দিলেন সন্দীপন মণ্ডল এবং টুম্পা পালের নেতৃত্বে আরণ্যক ডান্স আকাদেমির সদস্যরা।


শ্রী জনার্দন ঘোষ গোটা অনুষ্ঠানটিকে অত্যন্ত সুচারুভাবে সঞ্চালনা করলেন।


অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ অংশ ছিল এন জি ও সংস্থা সংলাপের নৃত্যানুষ্ঠান। পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েদের এবং তাদের পরিবার পরিজনদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আবার লক্ষ্যে ইউনিসেফ এবং ক্রাই এর সহযোগিতায় কলকাতার গিরিশ পার্ক অঞ্চলে (২৬ নং ওয়ার্ড) কাজ করে সংলাপ।



সেরকম কিছু বাচ্চা মেয়ের পরিবেশিত নৃত্যানুষ্ঠান গোটা সন্ধ্যাটিকে এক অন্য মাত্রা দেয়। আরণ্যক ডান্স আকাদেমির তরফ থেকে সংলাপকে উপহার এবং মানপত্র দেওয়া হয়।


 প্রত্যেক নৃত্যশিল্পী এবং সংস্থাকেও তাদের সংশ্লিষ্ট প্রদর্শনীর শেষে মঞ্চে মানপত্র দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সময়ানুবর্তিতা এবং চমৎকার ব্যবস্থাপনার কারণে অনুষ্ঠানটির টানটান ভাব সর্বক্ষণই বজায় ছিল।

( ছবি - সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...