সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এক মেকআপ আর্টিস্টের গল্প- ' প্রতিফলন'



ইদানীং বাংলা ফিল্ম ইন্ড্রাস্টিতে মেকআপ আর্টিস্টদের নিয়ে সিনেমা বানানোর তাগিদ লক্ষ্যনীয়। সিনেমা জগতের সঙ্গে যারা যুক্ত তারা সবাই কিন্তু স্পট লাইটের নীচে থাকার সুযোগ পায়না এবং দিনের শেষে সেইসব মানুষগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যায় অথচ তারা না থাকলে হয়ত এই পুরো ইন্ড্রাস্টির ঘাটতি থেকে যেত।

ঠিক তেমনি নবাগত পরিচালক অর্পণ বসাকের ভাবনায় আবার ফুটে উঠেছে আর একজন মেকআপ আর্টিস্টের গল্প- ‘প্রতিফলন একটি ছেলে মেকআপ আর্টিস্ট হতে ছায়! তাও আবার একজন গ্রামের ছেলে। হ্যাঁ, ব্যাপারটা একটু ভাবতে কষ্ট হতে পারে। একজন ছেলে মেকআপ আর্টিস্ট হতে চায়- গ্রামের দিকে এখনও এই ব্যাপারে নাক উঁচু ভাব থাকলেও শহর কিন্তু এসবের বালাই করে না! তবে এই বিষয়টা নিয়েই পুরো গল্পটা গড়ে উঠেছে।

সিনেমার মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুপ্রতিম সাহা, যার পর্দায় নাম আর্য! শুধু তাই নয় তিনি সিনেমার প্রযোজকও।এছাড়াও এই সিনেমাটিতে দেখা যাবে নবাগতা সায়ন্তনী দেবকে, যিনি সিনেমায় রিমির চরিত্রে অভিনয় করেছেন।



পরিচালকের কথা অনুয়ায়ী, এই রিমি একসময় আর্যের ‘অক্সিজেন’ হয়ে উঠবে। যখন সবকিছু আরজের বিপরীতে চলে যায়, তাঁকে এক ঘরে করে দেওয়া হয় সেই সময় এই রিমিই তাঁর সঙ্গে থাকবে। ইতিমধ্যে এই সিনেমার শুটিং চলছে। কলকাতা এবং মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু অংশ জুড়ে রয়েছে এই সিনেমার প্লট। আগামী বছরের শুরুর দিকেই হয়ত বানিজ্যিক ভাবে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তবে গত ১ এপ্রিল এই সিনেমার পোস্টার লঞ্চ হয়েছে ফিউচার ইন্সটিটিউড অফ ইঞ্জিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজে। এই সিনেমাটি নিয়ে পরিচালক নিজেও যেমন আশাবাদী তেমনই সমস্ত কলাকুশলীরাও।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...