সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কলকাতার নতুন ঠিকানা ' উইসডম ট্রি- দ্য হ্যাপিনেস ক্যাফে’



আপনি কি নতুন কোনও ক্যাফে খুঁজছেন? প্রতিদিন একই ক্যাফেতে গিয়ে গিয়ে মুখটা তেতো হয়ে গিয়েছে? নাকি প্রেমিকা বায়না ধরেছে নতুন কোথাও গিয়ে ট্রিট দেওয়ার জন্য ? নাকি একটু শান্তি আর উষ্ণ অভ্যর্থনা খুঁজছেন? তাহলে আপনাকে বলব, আপনার সব প্রশ্নের উত্তর একটাই, ‘ উইসডম ট্রি’!

বৃহস্পতিবার উদ্বোধন হয়ে গেল কলকাতার নতুন ক্যাফে, ‘ উইসডম ট্রি- দ্য হ্যাপিনেস ক্যাফে’।  ২০, ডোভার রোড বালিগঞ্জ অবস্থিত এই ক্যাফের বিশেষত্ব হল উষ্ণ অভ্যর্থনা আর সুন্দর একটি পরিবেশ। শুধু তাই বিভিন্ন ধরনের খাবার থেকে শুরু করে  হ্যান্ডমেড চকলেট, স্যানডুইচ, চা, কফি এবং আরও অনেককিছু। এখানেই শেষ নয়, এতকিছু সবই আপানর সাধ্যের মধ্যে। তারওপর উপরি পাওনা, এই ক্যাফের ব্যবস্থাপনা এবং সুন্দর পরিষেবা। প্রতিটি আইটেম খুব সুন্দর করে পরিবেশন করা থেকে তাদের খাবারের গুণগত মান কিন্তু আপনাকে আবার আসতে বাধ্য করবে। আর এই ক্যাফেটি কিন্তু সম্পূর্ণ মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত।


উদ্বোধনের দিন ক্যাফেতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অভিনেতা ইন্দ্রজিৎ মুজমদার, অভিনেতা ঈশান মজুমদার। এছাড়াও ছিলেন লেখিকা শ্রীময়ী পিউ কুণ্ডু।




অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা আটপৌরেকে জানালেন যে, ‘’ আমার বেশ ভাল লেগেছে ক্যাফেটা। আমি চা খেতে খুব ভালবাসি আর এখানে অনেক রকমের চায়ের আইটেম পাওয়া যায়।‘’
তাহলে কী ভাবছেন? সময় পেলেই একবার ঘুরে যান এই ক্যাফেটিতে।

( লেখা- আদিত্য ঘোষ 
ছবি- সায়ন্তনী গুহঠাকুরতার থেকে সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...