সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ব্যোমকেশ ঃ review of season 2

উদাহরণ স্বরূপ : রক্তের দাগ

বিবর্তনের হাত ধরে প্রচুর ব্যোমকেশ এসেছেনকিন্তু অনির্বাণ বাবু মনে দাগ কেটেছেন, তিনি সবার চেয়ে আলাদা হইচই এর ব্যোমকেশ পর্বের দ্বিতীয় সিজিন দেখার পর মনটা ভরে গেল সত্যকাম আর অন্নপূর্ণা ছোট্ট সময়ের মধ্যে বেশ পরিণত অভিনয় করল গল্পের সূত্র ধরে এগিয়ে গেলে প্রথমেই দেখতে পাই, সত্যকাম তার মৃত্যু হবে পারে এ ভেবে আসে ব্যোমকেশের কাছে,সে উল্লেখ করে তার মৃত্যুর পরে যেন ব্যোমকেশ তার হত্যার তদন্ত ভার নেয়। অগ্রিম হাজার টাকা নগদ দিয়ে যায় সত্যকাম । ব্যোমকেশ অবাক হ্য় এই ভেবে যে , সত্যকাম কেন তার মৃত্যু আটকাতে চাইছে না এবং গল্প তার পথ ধরে এগিয়ে চলে। শাড়ির দোকানের মালিকের ছেলে সত্যকামের বরাবরই কামের প্রতি মোহ,যার জন্য ছোট থেকেই কপালে জুটেছিল “এঁচোড়ে পাকা”র তকমা। তাই তার খুনের খবর শুনে কেউই অবাক হয়নি।তবে কে খুন করেছে এটা জানতে পারলে হয়ত আপনারই অবাক হবেন শেষে। তবে পারিবারিক কলঙ্কের দাগ কিন্তু বংশানুক্রমে চলে আসে ,এটা বলাই বাহুল্য।
তবে এই গল্পের প্লটগুলো বড্ড আলগা। কোনো রহস্য মনে বাসা বাঁধেনি প্রথম থেকে। সিকুয়েন্সগুলো এলোমেলো। মাঝে মাঝে অযথা চমক দেওয়ার জন্য কিছু ক্যারেক্টার প্রবেশ এবং প্রস্থান।তুলনামূলক ভাবে প্রথম পর্ব অনেক সাবলীল।

তবে অভিনয়ে অনির্বাণ বাবু একাই একশো। সব মিলিয়ে মোটামুটি ভালই এই “রক্তের দাগ”এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...