সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিগত ৭ই ডিসেম্বর  বিকেলে নৈহাটী নয়াবাজার অঞ্চলে আদাব নাটকের পথনাটিকা শো পুলিশ প্রশাসন বন্ধ করে দিল......ঘটনাক্রমের বিবরণ নিচে ----

বিকেল 5 টা নাগাদ মৌলবাদ ও ফ্যাসীবাদ বিরোধী একটি নাগরিক ভ্রাম্যমাণ প্রচার উদ্যোগ নয়াবাজার মোড়ে পৌঁছায়। সামাজিক ঐক্য বজায় রাখার বার্তা নিয়ে দুটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের পর আদাব নাটকটি চলাকালীন পুলিশের একটি RT VAN নয়াবাজারে মোড়ে এসে দাঁড়ায় এবং নাটক দেখতে গোল হয়ে জড়ো হয়ে থাকা স্থানীয় কিছু মানুষের জমায়েত দেখিয়ে প্রশ্ন করে এই প্রোগ্রামের অনুমতি কোথায় ??? এবং তৎক্ষণাৎ নাটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
আমরা বলি যে অনুমতি তো প্রয়োজনীয় নয়, স্রেফ ইন্টিমেট করাটাই দস্তুর।
 তখন বলা হয় যে আপনাদের ইন্টিমেশন কোথায় ?? 
 আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানাই যে আমাদের দু-দুবার থানায় বসিয়ে অপেক্ষা করানোর পরও চিঠি রিসিভ করা হয়নি। তথাপি আমরা মৌখিকভাবে জানিয়ে এসেছি।
প্রত্যুত্তরে তারা জানায় যে পুলিশের অনেক কাজ -- আমাদের কাজ করার জন্য তারা বসে নেই। আমরা কেন আবারও থানায় গেলাম না ?? এবং নয়াবাজার ফাঁড়ির বড়বাবু কে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পত্রপাঠ শো বন্ধ করে হাজিনগর অঞ্চলে কোথাও এই ক্যাম্পেন বা শো করা যাবে না বলে জানিয়ে দেন। এর ফলে নাকি উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। 
যাবতীয় কর্মসৃচী স্থগিত করে দেওয়ারপরে একটি সাদা কাগজে উপস্থিত পুলিশ আধিকারিক আমাদের নাম ও ফোন নম্বর টুকে নিয়ে পরবর্তীতে থানায় যোগাযোগ করার কথা বলেন। 

 প্রশ্ন হল, গণতান্ত্রিকভাবে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে কি প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে নাগরিকদের ???
 সাধারণ নাগরিকদের মতপ্রকাশ করতে গেলে প্রশাসনের দরজায় দরজায় কড়া নেড়ে ঘুরতে হবে ???? 
সংবিধান কি দেশের মানুষকে তার অধিকার ভিক্ষা হিসেবে দেয় না অধিকার হিসেবে দেয় ???
আর পথনাটকের জন্য প্রশাসনের অনুমতি লাগলে জবাব দিতে তো হবেই যে এটা কি বাদল সরকারের বাংলা ?? এটা কি সফদর হাসমির দেশ ??

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...