সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান



মেট্রো নিয়ে যখন কলকাতার বুকে একের পর এক প্রতিবাদ আছড়ে পড়ছে, ঠিক সেই সময় সেই প্রতিবাদের সুরে গলা মেলাল কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ।

মোহনা বিশ্বাস (কলেজ ছাত্রী)  জানাল, বর্তমান সময়ের প্রেমিক-প্রেমিকারা কোথায় যাবে, কী খাবে কিংবা কোথায় জড়িয়ে ধরবে সেটা তাদের একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার! আর তাঁরা তাদের পারস্পরিক অনুমতি নিয়েই একে অপরকে সঙ্গে আলিঙ্গন বদ্ধ হয়! তাহলে অসুবিধাটা কোথায় ?’’ এখানেই শেষ নয়, মোহনা আরও জানাল, “ এই সমস্ত বয়স্ক কিংবা মধ্যবয়স্ক লোকেরা অন্য সময় ট্রেনে, বাসে , মেট্রোয় অনেক অছিলায় যখন একটা নারী দেহ স্পর্শ করে, তখন কী হয় ? কোথায় থাকে তাদের প্রতিবাদ ? ‘’

শুধু মোহনা একা নয়, স্নেহা সামন্তর গলায় প্রায় একই সুর।  স্নেহা সামন্ত স্পষ্ট জানাল, ‘’ লোকেরা আগে ভালবাসার মানেটা বুঝতে শিখুক! একে অপরকে জড়িয়ে ধরলে কী সংস্কৃতির প্রতি অবমাননা করা হয় ? ” স্নেহার কথায় উঠে এল সম্প্রতি কিছু বর্বর ঘটনার কথা। স্নেহা জানাল, ‘’ যখন একটা বাচ্ছা মেয়েকে গনধর্ষণ করা হয়, তখন এই লোকগুলো কোথায় থাকে ?’’

অনিন্দিতাও কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে বলল, ‘’ এই সমাজ সচেতন লোকগুলো যখন রাস্তার ধারে মূত্র ত্যাগ করেন, তখন কোথায় থাকে তাঁদের উদার মানসিকতা ? ‘’  


 (সাক্ষাৎকার- তীর্থঙ্কর এবং অমৃতা)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...