সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রিভিউ- আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন



                                                  রিভিউ- আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন ।
                                                   রেটিং- ৩.৫/৫
                                                   পাবলিশড বাই- Folk Studio( Bangla)
                                                    ব্যান্ড- Krakers




গানটা শোনার পরেই কুমার গৌরব চক্রবর্তীকে ফোনটা করে ফেললাম! আগের মতই একই স্বভাবে বলল, " কেমন আছিস ?" তবে আমি কথা না বাড়িয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করলাম, '' হঠাৎ নজরুল গীতি কেন ? ক্রাকারস-এর লিড গায়ক জানিয়ে দিলেন, '' উনি বাংলা গানের জগতে একটা স্তম্ভ! আর এইটা ক্যাকারস-এর প্রথম অফিসিয়াল রিলিজ! তবে আমরা আরও বিভিন্ন ধরণের গান করছি এবং করব।"


 তবে এই উদ্যোগটিই মন কেড়ে নেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট , কাজী নজরুল ইসলামের গানের স্পন্দন ও সুর একই রেখে যুগের উপযোগী করে নতুন ভাবে গানটা তৈরী করা । ইনস্ট্রুমেনটেশন নিয়ে বলার নেই, তবে ব্যক্তিগতভাবে  ভাল লাগলেও একটা কথা বলতেই হয় ,লিরিকাল পজ (lyrical pause) নামক একটি বিষয় থাকে, যা পপ সঙ্গীতে কম ও অন্যধারায় বেশী।



এই লিরিকাল পজ মূল গানটিতে একটু বেশী থাকার কারণে আরও ভাল এবং রোমান্টিসিজমে পরিপূর্ণ ছিল। রিমেক করার সময় সেটা মাথায় রাখলে আমার মনে হয়  হত । তাছাড়া গানটি সর্বোপরি উপভোগ্য,দক্ষ প্রচেষ্টা । গানটি শোনার জন্য ইউটিউবে ফোক স্টুডিও বাংলার চ্যানেলে গেলেই পেয়ে যাবেন গানটা। যারা এখনও শোনেননি, তারা শুনে ফেলুন!


                                                                      রিভিউ- নিকিতা চক্রবর্তী
                                                                          ছবি-Krakers    

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...