সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

charminar পর্ব--২


একটু চমকে উঠেই নিজেকে সাথে সাথেই সামলে নিয়ে জবাব দেয় রচিতা “না না বল...খবর কী তোর?কেমন আছিস?পুরো তো তিনমাস হাওয়া হয়ে গেছিলিস।”
কথা বলতে বলতেই রচিতা নিজের মধ্যে কেমন একটা আড়ষ্ঠতা বোধ করে।সেই মুহূর্তে কারণ খোঁজার চেষ্টা না করে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করে।
“এইত্তো চলছে।তোর কী খবর বল?”উত্তর এবং পাল্টা প্রশ্ন আসে ওদিক থেকে।
“আমিতো বিন্দাস” জবাব দিতে দিতেই আবিরের কাঁধের দিকে চোখ যেতেই রচিতা আবার প্রশ্ন করে “আরে you got a DSLR?”
“নাহ্ নাহ্ এক বন্ধুর থেকে ধার করে নিয়ে এলাম।বিকেলবেলা লেকটা বেশ লাগে।”
উত্তরটা শুনে রচিতা মনে মনে হাসতে হাসতে বললো “মেয়েদের মন গলানোর উপায় তুমি এই কয়েকদিনে বেশ ভালোই রপ্ত করে ফেলেছো।”

“তা নতুন কারোর প্রেমে পড়লি?”Camera ঘাঁটতে ঘাঁটতেই প্রশ্ন আবিরের।
চিরকাল এই একটা প্রশ্নে গা জ্বলে যায় রচিতার।তার উপর এতোদিন বাদে এতো কথা,meet করা সব মিলিয়ে এমনিই uneasy লাগছে।
যাইহোক মুখের ভাব স্বাভাবিক রেখেই ও জবাব দেয় “না না হয়নি তেমন কিছু।”
উত্তরের তোয়াক্কা না করেই camera টা রচিতার দিকে রেখেই পরপর ছবি তুলতে  থাকে আবির।রচিতা খানিক বিরক্তি দেখালেও ছবিগুলো দেখার পর আর রেগে থাকতে পারেনা।

“আচ্ছা এবার চল আমরা একটু হাঁটতে হাঁটতে কথা বলি?”
রচিতার কথার উত্তর না করেই উঠে পড়ে আবির।
চোখ তখনও Camera-য়,তবে এবার লক্ষ্য প্রকৃতি।
হাঁটা শুরু করে ।রচিতা চুপচাপ-ই ছিল,আবির photo তুলতে ব্যস্ত বলে একটু বিরক্ত হচ্ছিল বটে তবে মুখে কিছু বলে না।
“বুঝছি বিরক্ত হচ্ছিস কিন্তু বিকেলের  এই আলোটা চলে গেলে আর  view  পাবোনা ভালো।”
“কী করে যে বুঝে যায় এভাবে!”ভাবতে ভাবতেই রচিতা বলে “আরে না না it’s ok.কোন ব্যাপার না।You carry on.”

আবির photo তুলতে যে কতোটা ভালোবাসে তা রচিতার  অজানা নয়।আর বেশ তোলেও।তাই বরাবরই আবিরের এই গুণটা রচিতার বেশ লাগে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...