সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাবধান! শহরে আসছে নিম্নচাপ



তিনি অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে একটি গান লিখে ফেললেন। তবে সেটা একদিনেই নয়, প্রথমে কিছু এলোমেলো কথা এলো তারপর একদিন সেই কথাগুলো ডানা মেলল ‘ কোনও সন্ধ্যেবেলায়’ কিংবা ‘ কোনও মেঘলা দিনে’! কোনও নিম্নচাপের শহর যেন এক নিমেষে তাঁর ব্যক্তিগত আবেগে কলিংবেল বাজিয়ে বলল, ‘’ জন্মদিন তো গেছে, এবার নিম্নচাপ আসুক!’’

আপনারা যারা যারা মোনোলোগাস ক্রোমোজোম-এর কাজ দেখেছেন মানে স্বল্প দৈর্ঘ্যের সিনেমা হোক কিংবা গান, তারা জানেন মোনোলোগাস ক্রোমোজোমের কাজ কিন্তু একটু হলেও আলাদা। আর এই আলদা হয়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটি ঘাপটি মেরে থাকেন, তিনি হলেন সায়ন সেন। তাঁর লেখায় মোনোলোগাস ক্রোমোজোমের নতুন গান ‘ নিম্নচাপ’ আসতে চলেছে আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ।

তবে সায়ন সেন তাঁর গোটা টিমের প্রশংসা করতে কিন্তু ভোলেননি। তিনি জানালেন, ‘’ অনুপম আইচ এই গানটার সুর করেছেন আর গানটি গেয়েছেন শুভজিৎ। ওঁদের অসাধারণ মেলবন্ধন এই গানটিকে একটি অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।‘’ 



একটু থেমে তিনি আরও জানালেন যে, ‘’ গানের একটি অংশে ভায়োলিন বাজিয়েছে অপ্রতিম নায়ক। যেদিন এই রেকডিংটা হয়েছিল, আমার মনে হচ্ছিল যে সারাদিন ধরে বসে বসে ভায়োলিনটা শুনি। আর আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ অরিন্দম দে এবং সানি কর্মকারে প্রতি। তাঁরা এই গানটি প্রযোজনা না করলে আজকে ওই লেখাগুলো গান হত না।‘’

জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ গানটি কি প্রেমের গান ?’’ হাসতে হাসতে লিরিসিস্ট বললেন, ‘’ অবশ্যই। তবে শুধু প্রেম কেন সঙ্গে ঝগড়াটাও ফ্রী। এর চেয়ে বেশি কিছু বলব না। আপাতত লোকে গানটা শুনে বলুক তাঁরা কী বুঝলেন, সেটাই আসল।‘’

‘’স্রোতারা গানটা কোথায় শুনতে পাবেন ?’’ সায়ন সেন বললেন, ‘’ মোনোলোগাস ক্রোমোজোমের ইউটিউবের পেজে অবশ্যই আপলোড হবে লিরিকাল ভিডিও। এছাড়াও বেশ কিছু মিউজিকাল স্ত্রিমিং সাইটে গানটি আপলোড হবে। প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম যে গানটির সঙ্গে একটি ভিডিও হবে কিন্তু বিভিন্ন কারণবশত সেটি হয়ে ওঠেনি। তবে আমরা ভেবে দেখছি গানটি গান হিসেবেই প্রকাশ হোক, আপাতত আমরা সবাই নিম্নচাপের দিকে তাকিয়ে।‘’  

( কলমে-আদিত্য ঘোষ
ছবি- সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...