সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

' সাহেবের কাটলেট'-যেন শ্রীতমার কাছে হাতে চাঁদ পাওয়ার সমান।



ধরুন একদিন যদি হঠাৎ আপনি হাতে চাঁদ পেয়ে যান, তাহলে কী করবেন? কিংবা আপনার প্রতি রাতের স্বপ্ন যদি হঠাৎ একদিন বাস্তব হয়ে যায়, তাহলে আপনি কী ভাববেন ? উত্তরটা কঠিন হবে জানি, হয়ত আপনার বলার ভাষাও হারিয়ে যেতে পারে। আপনি একটা ঘোরের মধ্যে হারিয়ে যেতে পারেন। হ্যাঁ, প্রায় একই রকম অবস্থা হয়েছে অভিনেত্রী শ্রীতমার! কি চিনতে পারলেন না কে শ্রীতমা দে ? তাহলে বলব একটু ব্যাক গিয়ার মেরে ফিরে যান ‘ধানবাদ ব্লুজ’ ওয়েব সিরিজে! সেই সাহসী চরিত্রে অভিনয় করা মেয়েটিকে খুব সহজেই চিনতে পারবেন, আর তাও যদি না পারেন, তাহলে বলব ‘ সাহবের কাটলেট’ –এর জন্য অপেক্ষা করুন। অঞ্জন দত্ত পরিচালিত ‘ সাহবের কাটলেট’-এর শুটিং শুরু হতে চলেছে এই মাসের ১৫ তারিখ থেকে এবং এই সিনেমার মুখ্য চরিত্র অভিনয় করছেন  শ্রীতমা দে!

আটপৌরেকে অভিনেত্রী জানালেন, ‘’ আমি খুব এক্সাইটেড! ছোট থেকে ওনার সিনেমা দেখে বড় হয়েছি এবং আজকে আমি ওনার সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে চলছি, এটা আমার কাছে একটা বড় পাওয়া।‘’ বিগ ব্যানারে প্রথম ব্রেক যে অঞ্জন দত্তের হাত ধরে হবে, সেটা স্বপ্নেও ভাবেনি শ্রীতমা! তাই এখন সে কিন্তু একটা ঘোরের মধ্যে আছে, তাঁর কথায় ‘’ আমার মনে হচ্ছে যে আমি হাতে চাঁদ পেয়ে গেছি!’’



সিনেমার বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানালেন, ‘’ এটি একটা ফুড মিউজিক্যাল স্টোরি! এখানে আমি একটি মধ্যবিত্ত ঘরের ছাপোষা মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি, যে তাঁর বাবা-ভাই’কে নিয়ে থাকে। রান্না করে, গান গায় এমন একটা মেয়ে। চরিত্রটির নাম খেঁদি! ছবির শুটিং হবে কলকাতা এবং চন্দননগর জুড়ে।‘’ একটানা বলে অভিনেত্রী একটু থামলেন। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ তারপর ?’’ হাসতে হাসতে শ্রীতমা জানালেন, ‘’ আর না। আজকের জন্য এইটুকুই!’’

অঞ্জন দত্ত প্রসঙ্গে তিনি জানালেন যে, ‘’ আমি ভাবতেই পারিনি এই মানুষটা আমাকে পুরো গল্পটা নিজে পড়ে শোনাবেন। কিন্তু উনি আমাকে পুরোটা নিজে পড়ে শুনিয়েছেন এবং বুঝিয়েছেনও! আশা করি সেটে গেলে আরও অভিজ্ঞতা হবে।‘’এছাড়াও এই সিনেমায় অভিনয় করছেন অর্জুন চক্রবর্তী, কাঞ্চন মল্লিক সব প্রমুখ। সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নীল দত্ত।  

( সাক্ষাৎকার -আদিত্য ঘোষ 
ছবি- সংগৃহীত)  

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...