সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী পৌরবী সেনগুপ্ত



তিনি চেয়েছিলেন ট্রাফিক পুলিশ হতে! কিন্তু হয়ত সবটাই ভাগ্যের পরিহাস। তাই ট্রাফিক পুলিশের সেই চাকরি হল না, তবে তিনি সোজা চলে এলেন ক্যামেরার সামনে। পৌরবী সেনগুপ্ত থেকে অভিনেত্রী পৌরবী সেনগুপ্ত হয়ে ওঠাটা অনেকটা একটা না চাওয়া গল্পের মতো! তবে তিনি কিন্তু বেশ খুশি, চুটিয়ে মজা নিচ্ছেন অভিনয় করার।

ছোট থেকেই তাঁর নাচের প্রতি অমোঘ আকর্ষণ। আর সেই থেকেই ড্যান্স ড্রামা এবং ঘটনাচক্রে বাংলা ধারাবাহিকে চলে আসা। তিনি ‘দুগ্গা দুগ্গা’তে গৌরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ওখান থেকেই তাঁর বাংলা সিরিয়ালের হাতেখড়ি। তারপর ‘মেমবউ’তে রিমি, ‘কৃষ্ণা’তে শ্রেয়া এবং বর্তমানে ‘মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্য’তে লক্ষ্মী এবং রাধার চরিত্রে অভিনয় করছেন।



বাংলা অনার্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী পৌরবী আটপৌরেকে জানালেন যে, ‘’ সিরিয়ালের আসার আগে একটা শর্ট ফিল্ম করেছি। তবে সিরিয়াল করতে করতে অনেকগুলো ওয়েব সিরিজের অফারও পেয়েছি,কিন্তু আপাতত করে হয়ে ওঠা হয়নি! আগে ভাল করে অভিনয়টা করতে চাই। তারপর দেখা যাবে কী হবে আর সিরিয়ালে পুরো ব্যাপারটা একটা সময় ফ্যামিলির মতো হয়ে যায়। খুব মজা হয়।‘’
যদিও তাঁর ভবিষ্যতের ইচ্ছে প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, ‘’ এই মুহূর্তে ভাল কাজ করলে অবশ্যই ভবিষ্যৎটা ঠিক থাকবে। আরও কাজ করতে করতে এগিয়ে যেতে হবে।‘’


এই মুহূর্তের বাংলার প্রিয় নায়ক কে জিজ্ঞাসা করাতে তিনি জানালেন, ‘’ অবশ্যই আবীর চট্টোপাধ্যায়। ইচ্ছে আছে ওনার সঙ্গে স্ক্রীন শেয়ার করার।‘’ঘুরতে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, ‘’ এমনিতে ঘুরতে যাওয়া হয় না!  আমার মা-বাবা বারবার বলে আগে বিয়ে কর, তারপর বরের সঙ্গে ঘুরতে যাবি।‘’  ফোনের ওপার থেকে শুরু হাসির শব্দ পেলাম।   

( ছবি- সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...