সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান



সময়টা বদলে গেছে, উৎসবটাও এখন অন্য! শুধু তাই নয়, কাজের জায়গাটাও এখন অনেকটা পরিণত। তবুও অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী একটুকুও বদলাননি। আগের মতই হাসিখুশি। ফোনটা পেয়েই নাম ধরে সম্বোধন করলেন! একটু স্বস্তি পেলাম।

তাই নববর্ষ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলাম, বাংলা ক্যালেন্ডার ফলো করেন ?’’ অভিনেত্রী কিছুটা থামলেন! তারপর একটু ইতস্তত হয়ে বললেন, না একেবারেই করা হয় না।’’ তারপরেই জিজ্ঞাসা করলাম, “ বাঙালির নববর্ষ মানেই তো প্রেম প্রেম ভাব! আপনার কী অভিজ্ঞতা ? ’’

অভিনেত্রী খুব সোজাসাপটা উত্তর দিয়ে বললেন, কোনওদিনই এই সময়টাকে তেমন ভাবে দেখার সুযোগ হয়নি। বাকিরা যখন এই সময়টাতে প্রেমে মজে আছে, আমরা তখন মেগা সিরিয়াল নিয়ে বড্ড ব্যস্ত!’’

পাল্টা প্রশ্ন করলাম,তাহলে আপনার কাছে নববর্ষের অর্থ কী ?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে বললেন, নতুন জামা পাওয়া! একটা-দুটো না, বেশ কয়েকটা।’’এখানেই শেষ নয়, নিজেই ছোটবেলার কথা বলতে গিয়ে জানালেন, এই বিশেষ দিনগুলোতে আমি নাচ নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম।’’

অভিনেত্রীকে একটু থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন কোন মিষ্টি খেতে ভালবাসেন ?’’ একটা প্রায় অপ্রত্যাশিত উত্তর এল  ফোনের ওপার থেকে। তিনি জানালেন আমি কিন্তু খুব একটা মিষ্টি প্রিয় মানুষ নয়, তবে কিছু কিছু মিষ্টি খেতে বেশ ভালই লাগে।’’

সবশেষে জিজ্ঞাসা করলাম, এই বছর নববর্ষে কী করছেন ?’’ তিনি জানালেন, ঐ দিনটিতে আমার খুব কাছের একটা মানুষের জন্মদিন, তাই ঐ নিয়েই ব্যস্ত থাকব। কেক আর মিষ্টি একসঙ্গেই খাব।’’ 


                                          (ছবি-  সুদীপ্তা চক্রবর্তীর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ) 
                                                  (সাক্ষাৎকার - আদিত্য ঘোষ ) 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...