সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানহিত মে জারি-এর "পরদা দারি" গানটি আমাদের মন্ত্রমুগ্ধ করবে !

  জাভেদ আলি এবং ধ্বনী ভানুশালীর নতুন গান , নুশরাত ভারুচ্চার নতুন ছবি , জানহিত মে জারি-এর "পরদা দারি" গানটি  আমাদের মন্ত্রমুগ্ধ করবে ! পুষ্পা ছবি থেকে  জাভেদ আলীর শেষ গানটি সোশ্যাল মিডিয়া এবং  আন্তর্জাতিকভাবে, সারা বিশ্বে  প্রচুর সাড়া ফেলেছে । এবার  তিনি এবং তার সাথে ধ্বানী ভানুশালী ফিরে আসছেন  আরেকটি রোমান্টিক গান  'পর্দা দারি' যা নুসরত ভারুচা অভিনীত  "জনহিত মে জারি"র গান।  হিটজ মিউজিক-এ যে গানটি আজ প্রকাশিত হয়েছে তাতে নুশরাত ভরুচা এবং অনুদ সিং এবং জাভেদ আর ধ্বানীর প্রথম গান একসাথে ৷ শ্রীনি  অঞ্জনের গানটি  কম্পোজে করেছেন  প্রিনি সিদ্ধান্ত মাধব।  গানটি প্রেমে পড়া এবং বিশ্বের কাছে এটি ঘোষণা করার কথা বলে। জয় বসন্তু সিং দ্বারা পরিচালিত, এই  সুন্দর  একতার অনুভূতিকে জীবন্ত করে তোলে। জাভেদ আলি বলেন, “এই  প্রেমের গানটি  একজন অন্যের জন্য কী অনুভব করে তা যোগাযোগের বিশুদ্ধ রূপগুলিকে তুলে ধরে । 'পর্দা দারি'-এর মাধ্যমে আমরা একত্রিততার মর্মকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছি এবং আমি আশা করি দর্শকরা আমাকে একই ধরনের গ...

আটপৌরের মুখোমুখি একেন বাবু

 বাংলা ওয়েব সিরিজের মাইলস্টোন 'একেন বাবু' এই পুজোয় পাঁচে পা দিতে চলছে। আর আমাদের প্রিয় একেন বাবু আবারও উজ্জ্বল হয়ে দর্শকদের মনের মণিকোঠায় আসতে চলেছেন। সদা হাস্য একেন বাবু সবাইকে স্যার বলে সম্বোধন করলেও তাঁকে আমার স্যার বলেই ডাকতে ইচ্ছে করছিল। কেন জানি না বারবার মনে হচ্ছিল এই মানুষটা হয়ত একেবারেই গল্পের মতো। যিনি সবসময় মজা করতে ভালবাসেন, ভালবাসেন রহস্যের জট খুলতে। একেন বাবু ওরফে অনির্বান চক্রবর্তী যদিও বাস্তব জীবনে অনেকটা আলাদা। তিনি হাসতে হাসতে আটপৌরকে জানালেন যে, " আমি একদমই গল্পের চরিত্রের মতো নয়। আসলে চরিত্রের প্রয়োজনে কিছু নিজস্ব স্বত্বা চলেই আসে। কিন্তু আমি বাস্তব জীবনে ঠিক একেন বাবুর মতো নয়!" শুধু তাই নয় একেন বাবুর এই বিরাট সাফল্য অনির্বান-এর একদমই প্রত্যাশিত ছিল না। তিনি জানালেন যে, " আমি সবসময়ই যে কোনও কাজই মন দিয়ে করি। ঠিক সেভাবেই একেন বাবুর কাজ শুরু করেছিলাম। তারপর দর্শকেরা যে এইভাবে একেন বাবুর ভক্ত হয়ে যাবে সেটা আশা করিনি।"  তিনি ছোট বয়স থেকেই মঞ্চে অভিনয় করেন। মফঃস্বলে বড় হয়ে উঠেছেন, কিন্তু কোনওদিনই ভাবেননি যে অভিনয়কেই তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেবেন...

আসতে চলেছে চিনে বাদাম

 এনা সাহার মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত হতে চলেছে। প্রযোজক এনা সাহার দ্বিতীয় ছবি 'চিনে বাদামের শুভ মহরত হয়ে গেল কিছু দিন আগেই। প্রযোজক হিসেবে এটিই অভিনেত্রীর দ্বিতীয় ছবি। তবে এই ছবিতে তিনি নিজে অভিনয়ও করবেন এবং তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তকে। এই ছবির পরিচালনার দায়িত্বে শিলাদিত্য মৌলিক।  এনার সাহার প্রযোজনায় প্রথম ছবি 'এস ও এস কলকাতা'-এর পর এই ছবি নিয়েও আশাবাদী অভিনেত্রী। এই ছবির পটভূমিকা একটি মিষ্টি প্রেমের গল্পো। সঙ্গে রয়েছে কমেডি। একটি অ্যাপ খুঁজবে বন্ধু। তবে ডেটিং অ্যাপ নয় কিন্তু। গল্পের স্তরে স্তরে আছে নতুন গল্প। সেই জন্যই অপেক্ষায় থাকতে হবে সিনেপ্রেমী মানুষদের।

" বাংলা ইন্ডাস্ট্রির প্রতি কি আক্ষেপ আছে? "

শিক্ষিকা থেকে মডেল এবং অতঃপর অভিনেত্রী! প্রিয়াঙ্কা দে এখন তেলেগু সিনেমার ব্যস্ত নায়িকা। যদিও কথাটা শুনে অভিনেত্রী হাসতে হাসতে বললেন, " একদমই না। সবে মাত্র তেলেগু সিনেমায় খাতেখড়ি দিয়েছি।" কিন্তু তিনি হাতেখড়ি দিয়েই তেলেগু সিনেমায় তিনটে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে একটি সিনেমার কাজ শেষ হয়েছে এবং আরও দুটির কাজ চলছে। তাঁর ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও হায়দ্রাবাদ থেকে আটপৌরেকে জানালেন যে, " আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল সাউথে কাজ করব। অবশেষে যখন সুযোগ পেয়েছি তখন নিজের একশো শতাংশ দিয়ে কাজগুলো করতে চাই।"  একসময়ে তিনি কোনও এক গহনা বিপনির পোস্টারে সারা শহর ছেয়ে গিয়েছিলেন। প্রচুর বিজ্ঞাপনের ছবিতে কাজ করছেন। 'মহালয়া',' রক্তকরবী' , ' সুইজারল্যান্ড' এর বক্স অফিস হিট করা বাংলা ছবিতে পার্শ্ব চরিত্রের অভিনয় দর্শকদের প্রসংশা কুড়িয়েছে। কিন্তু এই বাংলা ছেড়ে হঠাৎ সাউথ? তিনি জানালেন," আমার কাছে কোনও গন্ডি নেই। কাজটাই সব। আমি এখন ভাল কাজ করতে চাইছি। সেটা যে কোনও ভাষাতেই হোক না কেন। যদিও তেলেগু ছবিতে কাজ করতে এসে একটু ভাষাগত সমস্যা হয়েছিল কিন্তু আমাদের প্রোডাকশন টিম সেইটুকুও কাটিয়ে দ...

"আসলে ইচ্ছেটাই সব। "

ইচ্ছে থাকলে সব হয়। হ্যাঁ এই ছোট্ট কথাটাই যাঁরা নিজের জীবনের মন্ত্র করে নিয়েছেন, তাঁদের কেউ আটকাতে পারিনি। ফটোগ্রাফার তথাগত ঘোষ সেই ইচ্ছে শক্তির জলন্ত উদাহরণ। এই মুহূর্তে কলকাতার অন্যতম সেলিব্রিটি ফটোগ্রাফার তথাগত। ফ্যাশন ফটোগ্রাফির জগতে এই মুহূর্তে তিনি ইয়ং জেনারেশনের মাইলস্টোন। একটুকুও বাড়িয়ে বলছি না। কলকাতার আনাচে-কানাচে একটু কান পাতলে তথাগত ঘোষের সুনাম ঠিক পেয়ে যাবেন।  যদিও চিত্রগ্রাহক ঘোষ বাবু এইসব নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত নন। তাঁর কথায়," এখন অনেক কাজ বাকি। আরও আরও কাজ করে যেতে হবে। আর ভাল-খারাপের ব্যাপারটা তো আমার কাজই বলবে।"  এই মুহূর্তে কলকাতার এহেন কেউ নেই যিনি ফ্যাশন ফটোগ্রাফিতে তথাগত ঘোষের নাম শোনেনি। যদিও এই জার্নিটা সহজ ছিল না। তথাগত আটপৌরেকে জানালেন যে," আমি খুব ছোট থেকেই ক্যামেরা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতাম। একটা খিদে ছিল যে ছবি তোলাটা শিখতে হবে। শিখতেই হবে। পুরো ব্যাপারটা জানতে হবে। যখনই সময় পেয়েছি, তখনই ছবি তোলা নিয়ে মেতে থাকতাম। নিজের মতো ব্যাপারগুলোকে ভাবতাম।" তথাগত ঘোষ আজ পর্যন্ত বহু নামীদামী কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছেন। দেশি-বিদেশি বহু বিজ্ঞাপন, ফ্যাশন ফট...

"অভিনয় আমার প্রথম ভালবাসা।।"

  তিনি আগের চেয়ে অনেক পরিণত, অনেক বেশি কাজ নিয়ে বদ্ধপরিকর। অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা এখন শুধুমাত্র ভাল কাজের জন্য মুখিয়ে আছেন। মুখিয়ে আছেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে সুপারহিট কাজ দিতে। শুধু বাংলা কেন, বাংলা ছাড়াও বাকি ইন্ডাস্ট্রি যেমন হিন্দি কিংবা সাউথ ইন্ডাস্ট্রিতেও ভাল চরিত্রে কাজ করতে  তিনি প্রস্তুত।  তাঁর ঝুলিতে একের পর এক হিট ছবির সারি। 'সমান্তরাল', 'উমা', 'এক যে ছিল রাজা'  কিংবা 'লালবাজার' মতো ওয়েব সিরিজে তাঁর সাহসী অভিনয় দর্শকদের কাছে তাঁর চাওয়া-পাওয়াটা বাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু বড় পর্দায় নয়, ছোট পর্দায় 'কিরণমালা', 'জয়ী', 'সাত ভাই চম্পা'-এর মতো কাজ দর্শক আজও মনে রেখেছে।  কিন্তু গত দুবছর সেই ভাবে কোনও কাজ না হওয়ায় অভিনেত্রী একটু অখুশি। তাঁর কথায়, " অনেক কাজ আটকে আছে। লকডাউনের জন্য বাইরেও যেতে পারছি না। না হলে বেশ কয়েকটা ভাল কাজ এতদিনে মুক্তি পেয়ে যেত।" তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, " এই যে বাংলা সিরিয়ালের ওয়ার্ক ফর্ম হোমের কন্সেপ্টটা কি গ্রহণযোগ্য?" তিনি একবাক্যে জানালেন," না। আমার মতে এতে কাজের মান অনেক কমে যায়। কিন...

নয়না গঙ্গোপাধ্যায় এখন শিরোনামের শিরোনামে।

 তিনি সর্বদা চরিত্র নিয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। আর ভালবাসেন বলেই তো সারা ভারতের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের নাম করে নিয়েছেন।  নয়না গঙ্গোপাধ্যায় এখন শিরোনামের শিরোনামে। হ্যাঁ, এতটুকুও বাড়িয়ে বলছি না। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত 'ডেনজারাস' -এর ট্রেলর মুক্তি পেয়েছে এবং বহুল চর্তিত হয়েছে। কারণ রাম গোপাল ভরমার এই ছবিটি প্রথম লেসবিয়ান ক্রাইম থ্রিলার! কী খটকা লাগল মনে? তবে এই খবর প্রথম আটপৌরেই ব্রেক করেছিল বেশ কিছুদিন আগে।  রামগোপাল ভর্মা বরাবরই একটু হাটকে খেলেন। তাঁর সিনেমা সবসময়ই একটু দগদগে হয়, আসলে মানুষটাই এমনই। আর এই মানুষটির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন নয়না গঙ্গোপাধ্যায়। একটু শুধরে নিই, সাহসী নয়না গঙ্গোপাধ্যায়।  আটপৌরেকে তিনি জানালেন যে, " চরিত্রকে নতুন ভাবে নিয়ে কাজ করতে হয় সবসময়। আর এই রোলটা খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার কাছে। এই ধরনের কোনও চরিত্র এর আগে করিনি। তাই অনেক ভেবে, অনেক রিসার্চ করে কাজটা করেছি এবং নিজের ১০০% দিয়েছি।" একটু থেমে তিনি আরও জানালেন যে, " আমি যখন একবার  চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যায় তারপর আর কিছু খেয়াল থাকে না। শুধু মনে হয় কাজটা করতে হবে, ভাল কাজ করতে হবে।...