সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নয়না গঙ্গোপাধ্যায় এখন শিরোনামের শিরোনামে।


 তিনি সর্বদা চরিত্র নিয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। আর ভালবাসেন বলেই তো সারা ভারতের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের নাম করে নিয়েছেন।  নয়না গঙ্গোপাধ্যায় এখন শিরোনামের শিরোনামে। হ্যাঁ, এতটুকুও বাড়িয়ে বলছি না। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত 'ডেনজারাস' -এর ট্রেলর মুক্তি পেয়েছে এবং বহুল চর্তিত হয়েছে। কারণ রাম গোপাল ভরমার এই ছবিটি প্রথম লেসবিয়ান ক্রাইম থ্রিলার! কী খটকা লাগল মনে? তবে এই খবর প্রথম আটপৌরেই ব্রেক করেছিল বেশ কিছুদিন আগে।  রামগোপাল ভর্মা বরাবরই একটু হাটকে খেলেন। তাঁর সিনেমা সবসময়ই একটু দগদগে হয়, আসলে মানুষটাই এমনই। আর এই মানুষটির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন নয়না গঙ্গোপাধ্যায়। একটু শুধরে নিই, সাহসী নয়না গঙ্গোপাধ্যায়। 



আটপৌরেকে তিনি জানালেন যে, " চরিত্রকে নতুন ভাবে নিয়ে কাজ করতে হয় সবসময়। আর এই রোলটা খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমার কাছে। এই ধরনের কোনও চরিত্র এর আগে করিনি। তাই অনেক ভেবে, অনেক রিসার্চ করে কাজটা করেছি এবং নিজের ১০০% দিয়েছি।" একটু থেমে তিনি আরও জানালেন যে, " আমি যখন একবার  চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যায় তারপর আর কিছু খেয়াল থাকে না। শুধু মনে হয় কাজটা করতে হবে, ভাল কাজ করতে হবে।"



আগামী মাসেই 'স্পার্ক' ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ডেনজারাস। ইতিমধ্যেই বহু দর্শক এই সিনেমার ট্রেলর দেখে নয়নার প্রশংসা করেছেন। তবে অভিনেত্রী বলেছেন , " এখন অনেক কিছু বাকি আছে, এটা তো সবে মাত্র ট্রেলর।"



কলকাতার মেয়ে নয়না যদিও বাংলায় তাঁর পরিচয়  কিরনময়ী রূপে। চরিত্রহীন দিয়ে তাঁর বাংলা সিনেমার হাতেখড়ি।  যদিও তাঁর কেরিয়ার শুরু বম্বে ইন্ডাস্ট্রি থেকেই।বম্বে দাপিয়ে এসে কলকাতা এবং তারপর একে একে তামিল, তেলেগু ছবিতে কাজ করেছেন এবং করছেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...