সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

'প্রেরণা স্ট্রীট ইডারলি কেয়ার'

 'প্রেরণা স্ট্রীট ইডারলি কেয়ার', একটি সংগঠন যারা কলকাতা এবং কলকাতার পার্শ্ববর্তী  জেলাগুলোতে বিগত ২০১৬ সাল থেকে সমাজের একটি স্তরের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে। বিশেষত যারা বয়স্ক তাঁদের জন্য এই সংঠগন তাঁদের সাধ্যমতো সবটুকু করার চেষ্টা করছে এবং আগামীদিনেও তাঁরা এই কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন।  সমাজের একটি স্তরের মানুষ এখন অপুষ্টির শিকার। এখনও তাঁরা একবেলা খেয়ে দিন কাটান। কিংবা অনেক পরিবারের বয়স্কদের তাঁদের পরিবার দেখেন না এমনও মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে স্ট্রীট ইডারলি। তাঁদের খাবার দেওয়া, শীতকালে তাঁদের গরম জামাকাপড় দেওয়া কিংবা এই কোভিড পরিস্থিতিতে তাঁদের সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এই সংগঠন।  যদিও কলকাতার বুকে এহেন সংগঠন প্রচুর, তবুও প্রতিটি সংগঠন তাঁদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছে এবং এই চেষ্টাটাই এই বিংশ শতাব্দীতে খুব দরকারী।  এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন  অনসূয়া মন্ডল ,ডক্টর তনিমা মন্ডল, পূর্ণিমা মন্ডল, লিটন শোরেন, এমিলি মন্ডল, অসীমা বোস, বর্ণালী নাগ চৌধুরী, ডক্টর পার্থ সারথী পাল , শ্রীজিতা চক্রবর্তী, অনসূয়া সেনগুপ প্রমুখ। এই সংগঠন প্রতি বছর বিশ্ব বয়স্ক দিবসে...

ফেলুদা ফেরতে নীলিমা দেবীর চরিত্রে দেখা যাবে পৌলমীকে

 ফেলুদা ফেরত! হ্যাঁ সমস্ত বাঙালির প্রিয় চরিত্র যখন আবার সিলভার স্ক্রিনে, তখন কি অপেক্ষা করা আর সম্ভব হয়? তাও আবার সৃজিত মুখোপাধ্যায় হাত ধরে। গল্প তো জমে ক্ষীর। ছিন্নমস্তার অভিশাপ নিয়ে তৈরি হয়েছে ফেলুদা ফেরত। যদিও সব ঠিক থাকলে মানে এই কোভিড পরিস্থিতি না থাকলে এতদিনে বাঙালি ফেলুদা ফেরতের স্বাদ পেয়ে যেত কিন্তু এই অপেক্ষা বাঙালির স্বাদটাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু দর্শকই নয়, অভিনেত্রী পৌলমী দাসও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কী বুঝলেন না তো? ভেঙে বলি। ফেলুদা ফেরতে নীলিমার চরিত্রে অভিনয় করেছেন পৌলমী দাস। গতবছরের শেষের দিকেই এই সিনেমার শুটিং প্রায় শেষই হয়ে গিয়েছিল কিন্তু কোভিদের জন্য সবটাই পিছিয়ে গেল। তবে কথায় আছে, যা হয় ভালর জন্যই হয়। এবার দেখার এই সিনেমা কি বাঙালির মনে নতুন ফেলুদা অর্থাৎ টোটা রায়চৌধুরীকে রেখে দিতে পারবে? যদিও সময়ই হয়ত তার উত্তর দেবে। তবে এই সিনেমা নিয়ে কিন্তু বেশ আশাবাদী অভিনেত্রী পৌলমী দাস। জিজ্ঞাসা করলাম, '' সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?" তিনি জানালেন যে," বেশ ভাল। উনি কাজের প্রতি বড্ড একাত্ম। খুব মনযোগ দিয়ে কাজ করেন। আর আমি এই সিনেমা...

আমি ফেমাস হতে আসেনি : দেবালয় ভট্টাচার্য্য

 দেবালয় ভট্টাচার্য্য থেকে স্যার দেবালয় ভট্টাচার্য্য হওয়ার জার্নিটা কিন্তু বেশ কঠিন। শুধু কঠিন বললে বলা ভুল হবে, একটা মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলা যে কতটা কঠিন হতে পারে সেটা যিনি পেরেছেন, তিনিই জানেন।  একটা ছোট্ট ঘটনা বলি, গত পরশু গঙ্গার ধারে আমরা কয়েকজন বসে আড্ডা দিতে দিতে একজন বলল, ' 'আজ একটা দারুন গান শুনেছি। তোদেরও শোনায়।'' গানটির নাম ' শুভ রাত্রি প্রিয়তমা'। সম্প্রতি ' ড্রাকুলা স্যার' সিনেমায় এই গানটি ব্যবহৃত হয়েছে।  যদিও আমি আগেই শুনেছিলাম তবে বন্ধুদের সঙ্গে শোনার মজা আলাদা। তবে শুধু আলাদাই নয়, এই গানের প্রতিটা কথা, প্রতিটা লাইনের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করে দিতে দিতে যেন কোথায় একটা হারিয়ে গেলাম। একজন তো গানটা শুনতে শুনতে কেঁদেই ফেলল। আর একজন অতি উৎসাহে বলল, '' ভাই সিনেমাটা দেখতে যাবি? গানটা কিন্তু হেব্বি করেছে।'' এই সময়ে দাঁড়িয়ে ঠিক কতজন দর্শক বাংলা সিনেমার গান শুনে সেই সিনেমা দেখতে গিয়েছে, এমনটি কি এই ঘোর কলিযুগে ঘটেছে? না না, একদম মজা করছি না। সত্যি বলছি। এমনটা বহুকাল আগে হত, এখন খুব একটা কিন্তু হয় না। একটা গানের কথা শুনে দর্শক হলে গিয়ে সিনেমা...

অভিনেত্রী নয়না গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর কেরিয়ারের প্রতিটা মোড়ে চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন

 অভিনেত্রী নয়না গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর কেরিয়ারের প্রতিটা মোড়ে চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন, শুধু ভালই ভালবাসেন না সেই সঙ্গে সেই চ্যালেঞ্জকে সফল করে পোঁছে যান আরও উঁচু শিখরে। সেই 'চরিত্রহীন'-এর কিরণময়ী একের পর এক শিখর ছুঁতে ছুঁতে বিন্দুমাত্র ক্লান্ত হয়ে পড়েননি, ছুটে চলেছেন নিজের গতিতে।    এই বছর শেষেই আসতে চলেছে 'ডেনজেরাস'! রাম গোপাল ভার্মা প্রযোজিত এবং পরিচালিত এই সিনেমার পোস্টার ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ঝড় তুলেছে। আপনি ভাবতেই পারেন, পোস্টার কি করে ঝড় তুলবে? আসল ব্যাপারটা হল পোস্টারতে একটি কথা লেখা আছে, ' ভারতের প্রথম লেসবিয়ান ক্রাইম একশন ফ্লিম!' থমক লাগল? লাগারই কথা কারণ রাম গোপাল ভার্মা সবসময় একটু আলাদা, তিনি ইউনিক। তাঁর ছবি কথা বলে। আর তার চেয়েও বড় কথা হল সাহসী নয়না গঙ্গোপাধ্যায় কিন্তু সবসময় চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসেন। এর আগেও তো ' জোহর' কিংবা ' ভাঙ্গাবেটি' কিংবা ' বিউটিফুল' অথবা ' চরিত্রহীন ১ এবং ২' সবকটি চরিত্রেই তিনি ঝড় তুলেছেন। অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়েছেন এবং সবর্পরি দর্শকদের মনে স্থান করে নিয়েছেন। অভিনেত্রী জানালেন," প্রথমে ভেবে...

SOS KOLKATA: এবার পুজোয় নতুন চমক

  সব বাঙালি এখন পুজোয় প্রতীক্ষায় দিন গুনছে। আর বাঙালির পুজো মানেই তো নতুন জামাকাপড়, হরেক রকমের খাওয়াদাওয়া, এদিক ওদিক ঘুরতে যাওয়া আর নতুন সিনেমা! হ্যাঁ ঠিক পুজোর আগে কিংবা পুজোর বাঙালি নতুন সিনেমা দেখবে না সেটা কি হয়? বাঙালির পুজো রিলিজ একটা আলাদা সেন্টিমেন্ট। আর সেই সেন্টিমেন্টের ঢাকে কাঠি পড়বে 'SOS কলকাতা'কে দিয়ে।  ইতিমধ্যে এই সিনেমার ট্রেলর এসে পড়েছে এবং সেই ট্রেলর দেখে সিনেমাপ্রেমী বাঙালি বেশ মুগ্ধ এবং অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১৭ই অক্টোবরের জন্য। কারণ ১৭ই অক্টোবর রিলিজ করতে চলেছে এসওএস কলকাতা। এই এলোমেলো পরিস্থিতির মধ্যে রিলিজ করলেও এই সিনেমার প্রযোজক এবং অভিনেত্রী এনা সাহা কিন্তু সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী। কোভিড সময়ে সমস্ত নিয়ম মেনে এই সিনেমার শুটিং হয়েছে এবং সেই একই নিয়ম মেনে এবার দর্শকদের সামনে আসতে চলেছে এসওএস কলকাতা।  যদিও এই সিনেমার প্ল্যানিং হয়ে গিয়েছিল বেশ অনেক আগেই কিন্তু কোভিডদের জন্য সেটা বাস্তবায়িত হতে কিছুটা সময় লেগে গেলো। যদিও সেই নিয়ে কুছ পরোয়া নেহি। আসল হল কন্টেন্ট! আর সেই কন্টেন্ট-এর চিহ্ন ইতিমধ্যেই ট্রেলর এবং সিনেমার গানে দেখা গিয়েছে।  সিনেমার বি...

অভিনেতা অমিতাভ এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক রানী রাসমণিতে রাঘবেন্দ্রের চরিত্রে অভিনয় করছেন।

 অভিনেতা অমিতাভ দাস একটা সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। তিনি বললেন, " যখন কোনও চরিত্রের সঙ্গে নিজের মনের কথা মিলে যায়, তখন সেটা অভিনয় কম, বাস্তব বেশি হয়ে উঠে।" মেথড অভিনয় তো সেই কথায় বলে। আর অভিনয় তো বাস্তবকেই তুলে ধরে। ব্যাপারটা আসলে দুই দুইয়ে চার।  অভিনেতা অমিতাভ এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক রানী রাসমণিতে রাঘবেন্দ্রের চরিত্রে অভিনয় করছেন। আর অভিনয় করতে করতে তিনি তাঁর মনের কথাগুলো সেই চরিত্রের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরছেন। সেই সময়ের কথা, ইতিহাসের খুঁটিনাটি, বিধবাবিবাহ প্রচলন এবং তার পরিবর্তী সময়ে সমাজের সঙ্গে সংঘাত কথা এবং অতঃপর একটা স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তথা সমাজের জন্য কিছু করার প্রচেষ্টা।  অমিতাভ দাস কিন্তু আদতে একজন খুব সচেতন মানুষ। শুধু সচেতন নয়, তিনি এই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধও বটে। কোনওরকম নেগেটিভিটি তার ধারেকাছে ঘেঁষতেও পারে না। জিজ্ঞাসা করলাম, "রানী রাসমণি নিয়ে তো প্রচুর ট্রোল হয়।" তিনি হাসতে হাসতে বললেন,"ভাল তো। হোক না। ক্ষতি কী? সবকিছুতেই কিছু না কিছু পজিটিভ ব্যাপার থাকে। তবে সেই ট্রোলে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ না করলেই হল।"  অভিনেতা অমিতাভ আরও বললেন যে...

আসতে চলেছে ফাটাফাটি

  ফাটাফাটি'! বক্স অফিস নিশ্চয় আবার হাউসফুল হয়ে যাবে। নিশ্চয় নয় হবেই। আসলে শিবপ্রসাদ আর নন্দিতা মুখোপাধ্যায় পরবর্তী ছবি আসতে চলেছে আগামী বছর। ছবির নাম 'ফাটাফাটি'। ২০২১ সালে 'ইন্টারন্যাশনাল ওমেনস ডে'-এর দিন মুক্তি পেতে চলছে ছবিটি। বডি সেমিং নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমার প্লট। বিগত দু'বছর অর্থাৎ ২০১৮ এবং ২০১৯ সালেও ঠিক ইন্টারন্যাশনাল ওমেনস ডে'-এর দিন মুক্তি পেয়েছিল মুখার্জীদার বউ এবং ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি। দুটি ছবিই একদম ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিল। সেই ট্রাক রেকর্ড ধরে বলতে গেলে আগামী বছর হ্যাট্রিক হতে চলেছে।  শিবপ্রসাদ এবং নন্দিতা জুটি বাংলা সিনেমার মাইলস্টোন। বাংলা সিনেমার পট পরিবর্তনে তাঁদের জুড়ি মেলা ভার। একের পর সফল ছবি। শুধু সফল ছবিই নয়, মনে দাগ কেটে যাওয়া পটভূমিকা। আর সেই পটভূমিকায় এবার সংযোজন হতে চলেছে আরও একটি ছবি ফাটাফাটি। একটি 'প্লাস সাইজ মডেল'-এর গল্প। বডি সেমিং এর গল্প।  সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অরিত্র মুখোপাধ্যায় এবং লিখেছেন জিনিয়া সেন। সিনেমার ডায়লগ লিখেছেন সমরাগ্ৰী বন্দ্যোপাধ্যায়।  উইন্ডোস প্রোডাকশনের তত্ত্বাবধানে আগামী বছর আসতে চলেছে ফা...