সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অভিনেতা অমিতাভ এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক রানী রাসমণিতে রাঘবেন্দ্রের চরিত্রে অভিনয় করছেন।


 অভিনেতা অমিতাভ দাস একটা সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। তিনি বললেন, " যখন কোনও চরিত্রের সঙ্গে নিজের মনের কথা মিলে যায়, তখন সেটা অভিনয় কম, বাস্তব বেশি হয়ে উঠে।"

মেথড অভিনয় তো সেই কথায় বলে। আর অভিনয় তো বাস্তবকেই তুলে ধরে। ব্যাপারটা আসলে দুই দুইয়ে চার। 


অভিনেতা অমিতাভ এই মুহূর্তের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক রানী রাসমণিতে রাঘবেন্দ্রের চরিত্রে অভিনয় করছেন। আর অভিনয় করতে করতে তিনি তাঁর মনের কথাগুলো সেই চরিত্রের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরছেন। সেই সময়ের কথা, ইতিহাসের খুঁটিনাটি, বিধবাবিবাহ প্রচলন এবং তার পরিবর্তী সময়ে সমাজের সঙ্গে সংঘাত কথা এবং অতঃপর একটা স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তথা সমাজের জন্য কিছু করার প্রচেষ্টা। 


অমিতাভ দাস কিন্তু আদতে একজন খুব সচেতন মানুষ। শুধু সচেতন নয়, তিনি এই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধও বটে। কোনওরকম নেগেটিভিটি তার ধারেকাছে ঘেঁষতেও পারে না। জিজ্ঞাসা করলাম, "রানী রাসমণি নিয়ে তো প্রচুর ট্রোল হয়।" তিনি হাসতে হাসতে বললেন,"ভাল তো। হোক না। ক্ষতি কী? সবকিছুতেই কিছু না কিছু পজিটিভ ব্যাপার থাকে। তবে সেই ট্রোলে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ না করলেই হল।" 




অভিনেতা অমিতাভ আরও বললেন যে, " এই চরিত্রে অভিনয় করতে আসার আগে একটু পড়াশুনাও করতে হয়েছে।  নিজেকে একটু ঝালিয়ে নেওয়া প্রয়োজন ছিল।" একটু থেমে তিনি আরও বললেন যে, " এছাড়াও এই চরিত্রের জন্য যে বাচনভঙ্গি দরকার সেটার জন্যও একটু ঘষামাজা করতে হয়।" তবে এই মুহূর্তে তিনি শুধু এই চরিত্রের প্রতি নজর দিয়েছেন। অন্য কোনও কাজ এই মুহূর্তে নৈব নৈব চ! এটাই হয়ত একজন আদর্শ অভিনেতার 'ডেডিকেশন'। তবে খুব সম্প্রতি পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-এর পরিচালনায় একটি ছবির কাজ তিনি করেছেন। যদিও সেই নিয়ে অভিনেতা মুখ খুলতে চাইলেন না। শুধু বললেন সময় হলে সবই জানতে পারবেন।

( লেখা- আদিত্য ঘোষ

ছবি- সংগৃহীত)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...