সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

একসময়ই বিকেলে আমরা একে অন্যের অপেক্ষায় থাকতাম, আর এখন বিকেলগুলো আমাদের অপেক্ষায় থাকে।

                                                                                       অবৈধ - আদিত্য  ‘’ কার সঙ্গে কথা বলছিলে?’’ ‘’ বরের সঙ্গে!’’ ‘’ প্রায় আধ-ঘণ্টা ধরে ফোনটা ব্যস্ত বলছিল।‘’ ‘’ হ্যাঁ, কিছু ব্যক্তিগত কথা বলছিলাম।‘’ ‘’ বরকে ছেড়ে এতদিন এই বাড়িতে ভাল লাগছে?’’ ‘’ একদমই না! কবে চলে যেতে পারব ভাবছি।‘’ ‘’ আমাকে ছেড়ে চলে যাবে ?’’ ‘’ যেতেই হবে, কাউকে কথা দিয়ে এসেছি।‘’ ‘’ আমাকেও তো কথা দিয়েছিলে, আমার পাশে থাকবে সারাজীবন।‘’ ‘’ থাকব তো, তবে এইভাবে নয়।‘’ দুপুরটা আজ শান্ত। প্রতিদনের মতো কুকুরগুলো ঘেউ ঘেউ করছে না। পাশের বাড়িতে ঝগড়াটা আজ অনেক আগেই থেমে গেছে। জানলা দিয়ে পুকুরটা দেখা যায়। পুকুর পাড়ে কয়েকটা অবাঙালী ছেলেদের আড্ডা বসেছে। প্রতিদিনের মতো পুকুরের ওপাশের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীয়ের মারপিট চলছে। বাবা-মা তুলে গালাগাল দিচ্ছে একে...

তোমার ছায়াসঙ্গীরা মধ্যরাত্রির অন্ধকারে মিলিয়ে যায়, আর অমাবস্যার ছাপ পড়ে তার মুখে, চিরকেলে ক্লান্তির মতো।

অন্যের ঘর সংসার দেখতে দেখতে তারও কি ইচ্ছে হয়না, অনেকটা পিছুটান হোক? এই যখন তুমি অন্যের উঠোনে দাঁড়াও, তার ঘরে সারি সারি বিরহের গান বাজে। স্পষ্ট উচ্চারণে পড়া হয় শ্লোক, কোন আবহমানের কবি তাকে শোকের কবিতা শোনায়। তোমার পুরোনো আশ্রয়। তার বাসা ভাঙে, খড়কুটো ছড়ায়। হঠাৎ সমস্ত ঘরে খেলতে থাকে হাওয়া, ধাক্কা খায় ফাঁকা দেওয়ালে। অন্যের গর্বিত চোখ দেখতে দেখতে, তারও কি ইচ্ছে হয়না, অনেকটা অহংকার হোক? উদ্যত কাঁধে সেও চাপিয়ে নেয় অকারণ দায়, ওজনে ব্যথা বাড়ে। তার বোঝা নামিয়ে রাখবার ঘর মেলেনা। তোমার ছায়াসঙ্গীরা মধ্যরাত্রির অন্ধকারে মিলিয়ে  যায়, আর অমাবস্যার ছাপ পড়ে তার মুখে, চিরকেলে ক্লান্তির মতো। অন্যের মৃত্যু দেখতে দেখতে তারও কি ইচ্ছে হয় না, একবার ..  সত্যি সত্যিই ..?

তোমায় নিয়েই গল্প সাজাচ্ছি আজকাল। তোমার গল্পে আমার ছোট্ট ভূমিকা

জানো,             টুকটাক লেখালেখির বেয়াড়া অভ্যাসটা মজ্জাগত হয়ে পড়েছে আজকাল। ক্লান্ত কলমটা আবার কালি মেখেছে মুখে, ঠোঁটের ডগায় আঁকড়ে রেখেছে কলঙ্ক। হিজিবিজি বকে চলেছে মগজ, হিসেবগুলো গুলিয়ে দিচ্ছে মন। ঠিক আগের মতই। তবে যে আমি ভাবতাম, কলম আর লিখবে না?           পুরোনো letter box এর ধুলো ঝেড়েছি কাল। বক্সের ডালার ওপর ফেলে রেখেছি মাধবীলতার গুল্ম। জানি, এবার চিঠি আসবেই। দু'লাইন বুকে করে রুল টানা কাগজে আসবে উড়ো চিঠি। আবার, ঠিক আগের মতই। তবে যে আমি জানতাম, চিঠি আর আসবে না?            তোমায় নিয়েই গল্প সাজাচ্ছি আজকাল। তোমার গল্পে আমার ছোট্ট ভূমিকা। উপসংহার জানিনা আমি, ভাবিনি। ভরিয়ে চলেছি পাতার পরে পাতা। বাঁধানো খাতাটা শিকড় গেঁথে নিচ্ছে। ভুলে যাচ্ছি আগের গল্পগুলো। প্লট - সময় - অবুঝ চরিত্রগুলোর কথা লেখা ছিল একটা বাদামী নোটবুকে। ড্রয়ারে আর দেখতে পাইনা সেটা। শব্দগুলোই ভুলে যাচ্ছি না শুধু -অভিধান খুঁড়ে তুলতে হয়না আর। ভুলিয়ে দিচ্ছ অকথা - কুকথা যত। ভুলিয়ে দিচ্ছ অতীত নিয়ে থাকা পোড়ামাটির ধ্বংসস্তুপ। উড়িয়ে দিচ্ছ আ্যাশ...

চারিদিক বড্ড অন্ধকার হয়ে এলো। আমাদের প্রেমটাও কোথায় উবে গেল।

                                                                    আবার যদি- আদিত্য -‘’ কোনওদিন ভালবেসেছিলে?’’ ‘’ তুই এই কথাগুলো বলার জন্য এখানে ডাকলি!’’ ‘’ কথা না ঘুরিয়ে, উত্তর দাও।‘’ ‘’ অন্য প্রশ্ন কর। উত্তর দেব, কিন্তু এইসব প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই।‘’ ‘’ কিন্তু কেন?’’ ‘’ নেই! কিন্তু কেন নেই জানি না।‘’ ‘’ তাহলে সব মিথ্যে ছিল ?’’ “ আমি একবারও তো বলিনি সব মিথ্যে ছিল!’’ ‘তাহলে কিছু বলছ না কেন?’’ ‘’ কিছু বলার নেই তাই বলছি না!’’ বাইরে তখন সবেমাত্র ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। আমাদের মধ্যে সেই হাওয়া আরও তীব্র হয়ে উঠছে। আরও উদাসী করে দিচ্ছে আমাদের চারিপাশ। শরীকী বাড়ির এই দুফালি ছাদটা এখন সালিশি সভায় পরিণত হয়েছে।   ছাদের এক কোণে শ্যাওলা জমেছে, কিছু অংশ বেশ জরাজীর্ণ। তারগুলো এঁকেবেঁকে গেছে পাহাড়ি রাস্তার মতো।   ছাদের একপাশে একটা টিমটিমে আলোটা দুলছে। ধুলো উড়ছে আমাদের উপর দিয়ে।   অল্প আলোয় ...

বয়স বাড়লো। আবিষ্কার করে ফেললাম, ওগুলো আসলে জোনাকি।

ছোটবেলায় মামাবাড়ি একটা অনন্ত আনন্দর নাম ছিল। সেখানে দাদু ছিলেন, দি'ভাই ছিল। আর ছিল একটা অদ্ভুত আতঙ্ক। রাতের দিকে দুষ্টুমি করলে, না খেলে, না ঘুমোলে , বাইরের বাগানের দিকে দেখিয়ে বলা হতো, "ওই দেখ, চোখ-জ্বলা মা"। দেখতে পেতাম, ঘুটঘুটে অন্ধকারে মিটমিটে চোখ জ্বলছে। কাছে আসছে, দূরে যাচ্ছে। গায়ে কাঁটা দিত, ছমছম করে উঠতো গা। চোখ বন্ধ করে ফেলতাম। রাতের দিকে দায়ে না পড়লে জানলার দিকেই যেতাম না মামাবাড়ি গেলে, এমন আতঙ্ক। বয়স বাড়লো। আবিষ্কার করে ফেললাম, ওগুলো আসলে জোনাকি। ততদিনে মফস্বলের মামাবাড়ির পাড়ার অন্ধকারও কমেছে। দাদু, দি'ভাই এর মত, অসহ্য আতঙ্ক টাও ছেড়ে গেল। আমি জোনাকি পেলাম। বড় হওয়ার পর ভাবতাম, মানুষের মধ্যে থাকা একটা অনন্ত আনন্দের ব্যাপার। ছোটবেলার মামাবাড়ির মতো। কিন্তু, বহুবার ধাক্কা, আঘাত, অপমান, বঞ্চনা ইত্যাদি ইত্যাদি আতঙ্ক দিয়েছে এমন ক'রে, আজকাল জানলার কাছে যেতে বড্ড ভয় করে। দেখি, একা থাকার অন্ধকারে কয়েকটা পুরোনো-নতুন শোক জ্বলছে-নিভছে। কাছে আসছে। দূরে যাচ্ছে। আবার ফিরে আসছে। অনেক তো হলো। দমবন্ধ হয়ে এলো অনেকবার।আশা করি, একদিন এই আতঙ্কেরও সময় ফুরোবে ছেলেবেলা...

কিছু মানুষ শুধুমাত্র প্রয়োজনের জন্য সঙ্গী খোঁজে, আর কিছু মানুষ সঙ্গীর জন্য প্রয়োজন খোঁজে!

                                 এবং আমি- আদিত্য  আমার ব্যক্তিগত কেচ্ছা দীর্ঘদিন ধরে লিখে চলেছি! হ্যাঁ, অন্তত আমার বন্ধুস্থানীয় নিন্দুকেরা এমনটাই দাবী করে আসছেন। তাঁদের বক্তব্য ‘’এইসব নিজের খাতায় লেখ, সবাইকে জানানোর কী আছে ?’’ আমি তাঁদেরকে বহুবার বলেছি, ‘’ গল্প তো নিজের জীবন থেকেই আসে! আর আমি এত কল্পনাপ্রবণ নয় যে, একটা আস্ত উপন্যাস ভেবে ফেলব।‘’ আর যদি একটা রক্তমাংসের জীবনে যদি গল্প লেখার প্রয়োজনীয় সামগ্রী থাকে, তাহলে অন্যকিছু থেকে ধার করতে যাব কেন? অযথা রঙ চরিয়ে গল্প হিট করানোর জন্য আমি লিখি না! এককালে লিটিল ম্যাগাজিন করেছি। আমি জানি একটা ম্যাগাজিন বিক্রি করতে কতটা তেল দিতে হয়।  তাই ওইসব ন্যাকামিতে আমি আর নেই।  যদিও চেয়েছিলাম লেখক হব, কিন্তু তালেগোলে একটু অন্য পেশায় যুক্ত ছিলাম! সেখানেও যদিও লিখতে হত, কোম্পানি বেশ ভাল টাকাই দিত! যদিও সেই বাজারি সংস্থায় আমি আমার সাহিত্য লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অন্য কিছু লিখেছি। আমি একটা ব্যাপার বেশ বুঝতে শিখেছি, জীবনের বিভিন্...

.....With love

                                               Sec 377 -Animikh  Adding another feather in the Constitutional Democracy of India a five-judge bench in the Supreme Court passed the verdict of decriminalisation of gay sex saying that it is only natural and people do have the right to engage in consensual gay sex in private. It was way back in British ruled India that Section 377 was introduced in the Indian Penal Code (IPC) which stated that gay sex is a criminal offence. SC reiterated the fact that Section 377 violates Indian Constitutional principles as it promotes discrimination in individual choices and preferences.   This unanimously taken historic and landmark verdict was passed by the bench headed by the Chief Justice of India Deepak Mishra and Justices R F Nariman, A M Khanwilkar, D Y Chandrachud and Indu Malhotra. This verdict ensur...