সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

শিল্পী সত্তা

------------------------------------------------পার্থ ঘোষ   স্বচ্ছ নীলাকাশের দিগন্ত বিস্তৃত কাশফুলের শ্বেত-শুভ্র ব্যাপ্তি।  ওরা চঞ্চল।  শরতের নির্মল  বাতাসে কাশবনে খুশির জোয়ার।  মাথার ওপরের বিশাল নীলিমার দিকে চেয়ে চেয়ে তারা উৎফুল্ল,  আনন্দিত।  মলয় বাতাসের দোলায় অবিন্যস্ত, উচ্ছ্বসিত এবং খুশির জোয়ারে প্লাবিত। মা আসছেন। দশভূজা মা, আমাদের বিন্দুবাসিনী মা – দুর্গতিনাশিনী দূর্গা।  চারিদিকে সাজ-সাজ রব।  নতুন করে সাজার আনন্দ। অশুভ শক্তিকে বিনাশ আর শুভ শক্তির অভ্যুত্থানের এক বিজাতীয় সহবস্থান।  মৃৎশিল্পী গণেশ পাল আজ পরিণত মনস্ক মানুষ।  শিল্পীর শিল্প-কৌশল তার চোখে, হাতে, আঙুলে আর সর্বোপরি মনের গভীরে।  শিল্পী সত্তার বহিঃপ্রকাশ মৃন্ময়ী দশভূজার মাতৃমুর্ত্তিতে। পূজোর আর দশদিন বাকি।  শিল্পী গণেশ সিংহবাহিনী, অসুরনাশিনী, পুত্র-কন্যা পরিবৃতা দূর্গা মূর্তিকে সজ্জিত করার কঠোর পরিশ্রমে বিভোর।  বিস্মৃত প্রায় আহার-নিদ্রা। বাবার মত শিল্পী হতে চায় গণেশ।  নিখুঁত শিল্প তৈরী করা ভগবানেরও অসাধ্য একথা জানে সে, তব...

জানি দেখা হবে

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------nilanjan The days are bright and filled with pain... Enclose me in your gentle rain... The time you ran was too insane... We'll meet again,we'll meet again... ----Jim Morrison ----The Doors আমি বিশ্বাস করি আমাদের আবার দেখা হবে,হয়তো আজ থেকে আরও পাঁচ বছর পরে...যখন আমরা অনেক বেশী পরিণত হব...জীবন ততদিনে হয়তো আমাদের আরো ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলবে...আমাদের ভাগ করে নেওয়ার মতো নিজস্ব গল্প থাকবে,অজানা অচেনা মানুষগুলোর থেকে দূরে থাকার জন্য,কিছু সুন্দর মিথ্যা ঢেকে দেওয়ার জন্য আমরা দুজনেই মুখোশ পরে থাকব...হয়তো সবকিছুকে নতুন করে সুযোগ দিতে খুব বেশী ভয় পাবো,প্লাস্টিক জীবন নিয়েই সুখী থাকার জন্য...ততদিনে মিথ্যে হাসি দিয়ে যন্ত্রণাকে আড়াল করতে শিখে যাব...জীবন নিয়ে কেউ জিজ্ঞাসা করলে মিথ্যে বলব...সেদিন আবার দুজনে দূরে সরে যাব...কিছুই হয়তো পাল্টাবে না সেদিন...কিন্তু আমাদের দেখা হবে... আমি বিশ্বাস করি আমাদের আবার দেখা হবে,হয়তো পনেরো বছর পরে...একটা অচেন...

মৃত্তিকার পত্র

-পার্থ ঘোষ – ষোল পাতার চিঠিটা লিখেছিল ছাব্বিশ বছরের মৃত্তিকা।  মৃত্তিকা অর্থাৎ মৃত্তিকা দাস। দাস পদবীটা মাস চারেক হল অর্জন করেছিল সে। বাবার পদবী পাল।  অতএব সে ছিল মৃত্তিকা পাল।  বিবাহ সূত্রেই বদল হয়েছিল পদবী। বিবাহ হয়েছিল সরকারি চাকুরে অসিতের সঙ্গে । অসিত চাষী-বাসী গেরস্থ। ধান জমি, পানের বরজ, আখ ক্ষেত এসব নিয়ে গ্রামের অবস্থাপন্ন লোক।  বাস রাস্থা থেকে ভ্যান রিক্সায় পঁচিশ মিনিট দূরত্বে পৈত্রিক পাকা দোতলা বাড়ী। অসিতরা তিন ভাই দুই বোন।  দুই বোনেরই বিয়ে হয়েছে গ্রামেরই অবস্থাপন্ন দুই ঘরে।  অসিত সবার ছোটো।  দুই দাদার বিয়ে অনেকদিন আগেই হয়েছে।  বাকী ছিল ছোটো ভাই অসিত। মাস চারেক আগে তারও বিয়ে হয়ে গেছে পাশের গ্রামের মৃত্তিকার সঙ্গে, বেশ ধূমধাম করেই। অসিতের চাকরির বয়স পাঁচ বছর।  কলকাতায় অফিস।  প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়।  বাড়ী থেকে প্রথমে ভ্যান রিক্সায় বাস স্ট্যাণ্ড, তারপর বাসে চড়ে রেল ষ্টেশন, সেখান থেকে ট্রেনে করে কোলকাতায় পৌঁছে আবার বাস ধরে অফিস পৌঁছতে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়।  তাই অসিতকে সকাল সকাল...

EID MUBARAK

---------------------------------------------------------------------------------------Mohona I met a girl today, A quiet one. Occupying a corner sit in the crowded metro, Her eyes glistening with tears, that never seemed to dry. Eyes that seemed very distant, That spoke of stories, Not of the glittering jewels she wore, Or of the clingy Burqa that adorned her body. The stories were of the war fields, In a distant land, Where the festive moon did not rise in happiness, Where the only lights were of the uncontrolled fires that burned, Where glee seemed to be long lost, In the shuddering sounds of the bullets. A land, where the crescent moon held no resemblance, To the newly orphaned child. The stories of the sour bloody lullabies!       

shohor

-----------------------------------------------------------------------------------আদিত্য প্রাক্তন শহর। একের পর এক শো, হলভর্তি দর্শক। অজস্র ছোট পত্রিকার অনুষ্ঠান।প্রেস,প্রেম ,কফি। নতুন সম্পর্ক,পুরোনো প্রেমিকা,বৃষ্টি,ট্রাম,মেট্রো,ট্রেন। উবের কিংবা আবার বৈঠক।একটা কবিতার জন্ম। আমি হেরে গেছি সঙ্গে আমার অহংকারও...

॥ডুবসাতার॥

--------------------------------------------------------------------------------------------সৌভিক সীমান্তে ঘুমোয় এক দেহ জমিন।এপারে আমার ইমান হৃদয়। মাঝে একটা গোটা নদী পেরোতে হবে একা খুদার বান্দা...তুফান দেখলে যে আজও বড় ভয় হয়। "চাচা তুম অাব ছোড় দো নাও।মুঝে যানা হে মিলো দূর" আমি সামলে নিতে পারি তোমার ভাঙা তরণী... আঁচলে বাঁধা ঝড়।মোহনার ঠোঁট কামড়ে এখনো রোদ্দুর। তখন কুলের কথায় জড়ায় মাঝি মল্লার ঘরে ফেরার গান। চোরাবালির সে বাঁধ ভাঙছে ঢেউয়ের আসা যাওয়া ভেজা হাওয়ায় ভিজছি আমি।ভিজছে আমার অভিমান। আমার দীর্ঘশ্বাস জুড়ে পলাশ ফুলে হাসি কুড়োতে চলেছি ওপার। স্রোতের টানে ভেসে গেছে কোথায় সাধের বেণীর ফিতে... নরম হাত ডুবিয়ে খুঁজে যাই রোজ।আমি যে শিখিনি ডুবসাতার॥

moncho

------------------------------------------------------------------------------------------আদিত্য  অনেকগুলো জন্মের পর একটা বৃষ্টি জন্মায়। কালির গন্ধ নিয়ে আসে সঙ্গে, অভিনয়ের রীতি ওর অজানা নয়। ওর খেলা মেঘের সঙ্গে বারোমাস। যেমন আমার সঙ্গে শিক্ষার,ভুলের আর কফি কাপের। আমি আবার জন্মাতে চাই একটা মঞ্চের কোলে....