সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

॥ট্রেনে হারানো গল্প॥

----------------------------------------------------------#সৌভিক----------------------------------





চাকার গতিবেগ বাড়তে থাকে সিগনালের ওঠা পরার সাথে।গাদাগাদি ভিড়ে পিঠ ঠেসে যায় প্রেমিকার ট্রেনের দেয়ালে। আচমকা দুটো আলাদা হাত চলে আসে এক হাতলে। সে মাথা তুলে দেখে ছেলেটি আগলে ছিল তাকে অনেক চোখের আড়ালে...অনেক্ষন। বাকিটা জানে ছেলেটির ডায়েরীর পেজ।তারপরে কেটে যায় অনেক গুলো বছর। ট্রেন ছেড়ে গেছে অনেক রেলওয়ে স্টেশন। হয়তো সে আলোকবর্ষে নতুনদের কথা অ্যানাউন্সমেন্ট হয়েছে বারবার। আজও দেখি তারা পাশপাশি বসে জানলার ধারে। ঘামের গন্ধ আর ক্লান্তি শরীরদুটো আলাদা করতে পারেনি। মাঝে মাঝে কিছু প্রতিশ্রুতি আঙুল ছুঁয়ে যায়। কাঁধে মাথা রেখে স্বপ্ন অাওড়ায়। গোটা দিনের ভুল ত্রুটি শোধরানোর প্রয়াস বাঁচে ওই পঞ্চাশ মিনিটের যাত্রা পথে। সন্ধ্যের লালচায়ে প্রেম আনাগোনা করে। তবু নামছাড়া সে স্টেশনের অলীকবেঞ্চে কেউ ফেলে যায় অাদুরে রুমাল। প্রথম গল্পটা আমার ছিল.... দ্বিতীয়টা ওদের। আমার স্টেশন এসে গেছে। সিট ছাড়তে হবে। অনেকটা সময় ওদের দেখতে দেখতে মনে পরে গেছিল আমাদের একসাথে লাইন ক্রসিং এর দিনগুলো। আমি জানি ওদের শেষ স্টেশন বলে কিছু নেই। নেই বাড়ী ফেরার তাড়া। তবে স্টেশনমাস্টার কতকাল না জানি ফেরেনি বাড়ী। আমি নেমে গেলাম সময় মতই...পুরোনো আমি। তুইও কিন্তু বাড়ী ফিরিস সাবধানে। এটুকুই হয়ত প্রিন্টেড ছিল আমাদের ট্রেনে সিটে ফেলে আসা গল্পের টিকিটে...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...