সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আসতে চলেছে ফাটাফাটি

  ফাটাফাটি'! বক্স অফিস নিশ্চয় আবার হাউসফুল হয়ে যাবে। নিশ্চয় নয় হবেই। আসলে শিবপ্রসাদ আর নন্দিতা মুখোপাধ্যায় পরবর্তী ছবি আসতে চলেছে আগামী বছর। ছবির নাম 'ফাটাফাটি'। ২০২১ সালে 'ইন্টারন্যাশনাল ওমেনস ডে'-এর দিন মুক্তি পেতে চলছে ছবিটি। বডি সেমিং নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমার প্লট। বিগত দু'বছর অর্থাৎ ২০১৮ এবং ২০১৯ সালেও ঠিক ইন্টারন্যাশনাল ওমেনস ডে'-এর দিন মুক্তি পেয়েছিল মুখার্জীদার বউ এবং ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটি। দুটি ছবিই একদম ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিল। সেই ট্রাক রেকর্ড ধরে বলতে গেলে আগামী বছর হ্যাট্রিক হতে চলেছে।  শিবপ্রসাদ এবং নন্দিতা জুটি বাংলা সিনেমার মাইলস্টোন। বাংলা সিনেমার পট পরিবর্তনে তাঁদের জুড়ি মেলা ভার। একের পর সফল ছবি। শুধু সফল ছবিই নয়, মনে দাগ কেটে যাওয়া পটভূমিকা। আর সেই পটভূমিকায় এবার সংযোজন হতে চলেছে আরও একটি ছবি ফাটাফাটি। একটি 'প্লাস সাইজ মডেল'-এর গল্প। বডি সেমিং এর গল্প।  সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অরিত্র মুখোপাধ্যায় এবং লিখেছেন জিনিয়া সেন। সিনেমার ডায়লগ লিখেছেন সমরাগ্ৰী বন্দ্যোপাধ্যায়।  উইন্ডোস প্রোডাকশনের তত্ত্বাবধানে আগামী বছর আসতে চলেছে ফা...

প্রযোজক যখন পরিচালক

  প্রযোজক যখন পরিচালক! এহেন ঘটনা যদিও ইন্ড্রাস্ট্রিতে নতুন কিছু নয়, তবে রজত ভাটিয়ার মতো সফল প্রযোজক যখন পরিচালনায় আসেন তখন সত্যিই প্রত্যাশা অনেকটা বেড়ে যায়। ‘ মতিচুড় চাকনাচুড়’-এর প্রযোজক রজত ভাটিয়ার পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘ দ্য ইনস্যুরেন্স- কারমা উইল গেট ইউ’-এর শুটিং খুব শিগগিরি শুরু হতে চলেছে।  শুধু পরিচালনায় নয়, এই সিনেমাটি তাঁর নিজের লেখা।  তিন বছর আগের কোনও এক ঘটনা অবলম্বনে তিনি এই গল্পটি লিখেছেন এবং মাঝের এই লকডাউন পুরো স্ক্রিপ্টটিকে মজবুত করতেও সাহায্য করেছে। তাঁকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান যে, ‘’ আমি কর্মে বিশ্বাস করি এবং তিন বছর ধরে এই স্ক্রিপ্টটি নিয়ে আমি লেখালেখি করেছি।‘’ এই সিনেমার কিছু অংশের শুটিং হওয়ার কথা রয়েছে লন্ডনে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু কাজকর্ম এগিয়ে গিয়েছে। সিনেমার মূল বিষয়বস্তু হল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি এবং তাঁদের বুজরুকির বিরুদ্ধে মুখোশ খুলে দেওয়ার গল্প। যদিও এই সিনেমায় কারা কারা অভিনয় করছে সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে পরিচালক ভাটিয়া সিনেমাটিকে নিয়ে বেশ আশাবাদী। তাঁর প্রযোজনায় মুক্তি পেটে চলেছে ‘ বোলে চুড়িয়া’। প্রধান চরিত্রে রয়েছেন নওয়া...

'জোহার' নিয়ে কী বললেন নয়না গঙ্গোপাধ্যায়, জেনে নিন

  তিনি থামতে জানেন না। দৌড়ে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য। ধীরে ধীরে একের পর এক চরিত্রে তাঁর অভিনয় দক্ষতা ইতিমধ্যেই বেশ সমাদৃত। তাঁর বলিষ্ঠ অভিনয় তাঁকে শুধু বাংলার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি। সারা ভারতের বিভিন্ন ইনড্রাস্টিতে তিনি এখন অতি পরিচিত মুখ। অভিনেত্রী নয়না গঙ্গোপাধ্যায় এবার সম্পূর্ণ অন্য ভূমিকায়। একেবারে অন্য রকম একটা চরিত্রে।  আগস্ট মাসে ১৪তারিখ 'আহা' ওয়েব প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে 'জোহার'। এই সিনেমায় নয়না গঙ্গোপাধ্যায়কে একজন এথ্যালেটিকের ভূমিকায় দেখা যাবে। চারটি গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই তেলেগু সিনেমাটি। অভিষেক নামা নিবেদিত এবং সন্দীপ মার্নি প্রযোজিত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন তেজা মার্নি। অভিনেত্রী জানালেন যে এই রকম চরিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করলেন। আটপৌরের সঙ্গে কথোপথনে তিনি আরও জানালেন যে," আমি ছোট থেকে খেলাধুলার সঙ্গে জড়িত। স্কুলে বেশ নিয়মিত খেলাধুলা করতাম। যদিও তারপরেও করেছি কিন্তু সেইভাবে যদিও কিছু করে ওঠা হয়নি। তবে এই চরিত্রটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। অভিনয় করতে করতে মনে হচ্ছিল নিজেই একজন এথ্যেলেটিক হয়ে উঠেছি। যদি অভিনয় না করতাম তাহলে হয়ত খেলাধুলার সঙ্গেই যুক্ত হতাম...

'আদর' সিনেমাটির মুকুটে বসল নতুন পালক

এই করোনা আবহের মধ্যেও বাংলা সিনেমা জগতের জন্য আরও একটি সুখবর। দেবদূত ঘোষ পরিচালিত এবং শ্রেয়সী এনটারটেনমেন্ট প্রযোজিত ‘আদর’ সিনেমাটি ১০তম দাদা সাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য মনোনীত হয়েছিল এবং সার্টিফিকেট অফ এক্সিলেন্সও পেয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয়,   এছাড়াও ‘ নাইস   ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে’ আদর সিনেমাটি তিনটে বিশেষ বিভাগের জন্য মনোনীত হয়েছে। ‘বেস্ট অরিজিনাল স্ক্রীন প্লে অফ  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ’, ‘ বেস্ট ডিরেক্টর অফ  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ ফিল্ম’ এবং ‘ বেস্ট সাপোরটিং অ্যাকট্রেস ইন  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ ফিল্ম- বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়’। এই সিনেমাটি মূলত তৈরি হয়েছে মানুষ এবং একটি হাতির মধ্যে সম্পর্ককে নিয়ে। এই সময়ে দাঁড়িয়ে যখন আমরা বন্য সভ্যতা প্রায় ধ্বংস করে দিচ্ছি, নির্বিচারে পশু হত্যা করছি, ঠিক এই তখন এই সিনেমাটি সেই বন্য প্রাণ আর মানুষের মধ্যে একটা অন্য সম্পর্কের কথা বলে। একটা বন্ধুত্বের কথা বলে। মানুষ আর হাতির মধ্যে একটা অমোঘ ভালবাসার কথা বলে।  সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী , প্...

আনন্দ, উপার্জন, প্রেম, ভালোবাসা, পরকীয়া, যৌনতার সেই ব্যস্ত পৃথিবী।

স্বপ্নে নয় বাস্তবে                 পার্থ ঘোষ কাল রাতে একটা স্বপ্ন দেখলাম । স্বপ্ন আসলে মনের ভেতরের সুপ্ত ইচ্ছা । জ্ঞানত বা অজ্ঞানত কোন ইচ্ছা ঘুমের মাঝে মাথার ভেতরে আন্দোলিত হতে থাকে আর তখনই অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে বসে আমরা যেভাবে সিনেমা দেখি ঠিক সেভাবে স্বপ্নকে দেখতে থাকি । স্বপ্ন অনেক রকম হয় , আনন্দের দুঃখের , ভয়ের এমনকি দোষের । যদিও দোষ বলার কারণ চিন্তা করতে গেলে একটু গভীরে ঢুকতে হবেই । হাটে বাজারে স্বপ্নের স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী অভিনয় অনুশীলন করতে গেলে সেটা অবশ্যই বেআইনি এবং দৃষ্টিকটু বলেই গণ্য হয় । সেই কারণেই মনে হয় স্বপ্নের মধ্যে সেই চিত্রায়ন দর্শন করাটাকেই আমরা স্বপ্নদোষ বলি সাধারণভাবেই । এটাও ঠিক কোনভাবে জেনে বা না জেনে ওইসব শিহরণ জাগান নাট্যরূপকে মনে স্থান দিলেই এই পরিণতি শিকার হতে হয় ঘুমের মধ্যে ।   এটা অস্বীকার করা খুবই শক্ত দূষিত স্বপ্নের দর্শকদের । এটাই বাস্তব । যাক যা দিয়ে শুরু করেছিলাম , আজ একটা ...