সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

'আদর' সিনেমাটির মুকুটে বসল নতুন পালক



এই করোনা আবহের মধ্যেও বাংলা সিনেমা জগতের জন্য আরও একটি সুখবর। দেবদূত ঘোষ পরিচালিত এবং শ্রেয়সী এনটারটেনমেন্ট প্রযোজিত ‘আদর’ সিনেমাটি ১০তম দাদা সাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য মনোনীত হয়েছিল এবং সার্টিফিকেট অফ এক্সিলেন্সও পেয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয়,  এছাড়াও ‘ নাইস  ইন্টারন্যাশানাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে’ আদর সিনেমাটি তিনটে বিশেষ বিভাগের জন্য মনোনীত হয়েছে। ‘বেস্ট অরিজিনাল স্ক্রীন প্লে অফ  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ’, ‘ বেস্ট ডিরেক্টর অফ  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ ফিল্ম’ এবং ‘ বেস্ট সাপোরটিং অ্যাকট্রেস ইন  ফরেজিন ল্যাঙ্গুয়েজ ফিল্ম- বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়’।



এই সিনেমাটি মূলত তৈরি হয়েছে মানুষ এবং একটি হাতির মধ্যে সম্পর্ককে নিয়ে। এই সময়ে দাঁড়িয়ে যখন আমরা বন্য সভ্যতা প্রায় ধ্বংস করে দিচ্ছি, নির্বিচারে পশু হত্যা করছি, ঠিক এই তখন এই সিনেমাটি সেই বন্য প্রাণ আর মানুষের মধ্যে একটা অন্য সম্পর্কের কথা বলে। একটা বন্ধুত্বের কথা বলে। মানুষ আর হাতির মধ্যে একটা অমোঘ ভালবাসার কথা বলে। 



সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী , প্রদীপ চক্রবর্তী, তুলিকা বসু আরও অনেকে। যদিও সিনেমাটি কবে মুক্তি পাবে সেই নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি, তবে এই মনোনয়নে আপাতত সিনেমার কলাকুশলী বেশ খুশিএই সিনেমাটির চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক নিজেই। মিউজিক করেছেন তন্ময় বসু , চিত্রগ্রহনে অসীম বসু এবং সম্পাদনা করেছেন অর্ঘ্যকমল মৈত্র।  পরিচালক দেবদূত ঘোষ এই মনোনয়নের কৃতজ্ঞতা দিয়েছেন সমস্ত কলাকুশলীদের এবং সিনামাটি রিলিজ করলে সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনামাটি দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। 

( লেখা- আদিত্য ঘোষ 
ছবি- সংগৃহীত) 

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...