সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আটপৌরের মুখোমুখি মডেল-অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা রায় কুন্ডু


 ছোট থেকেই তাঁর গানের প্রতি ঝোঁক। ইচ্ছে ছিল একদিন গান নিয়েই তিনি এগিয়ে যাবেন। কিন্তু ভাগ্য তাঁর জন্য অন্যকিছু ঠিক করে রেখেছিল। আজ তিনি জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী। তিনি প্রিয়াঙ্কা রায় কুন্ডু। সদ্য মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ছবি 'সুইজারল্যান্ড'। সেখানে তিনি একটি ট্রাভেল এজেন্টের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। জিৎ ফ্লিম ওয়ার্কসের ছবি 'সুইজরাল্যান্ড'-এ প্রধান চরিত্রে রয়েছেন আবীর চট্টোপাধ্যায় এবং রুক্মিণী মৈত্র।


প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলাম,"জীবনের প্রথম সিনেমা এত বড় ব্যানারে, ভেবেছিলেন?" প্রিয়াঙ্কা হাসতে হাসতে বললেন, "না ভাবিনি। আসলে আমার জীবনে সবকিছুই কেমন ঘটে গেছে।" আবারও জিজ্ঞাসা করলাম, " কিন্তু চরিত্রটা তো ছোট। সেই নিয়ে কি মনখারাপ আছে?" তিনি বললেন, " একদম নয়। জীবনে তো সবকিছুই তো ছোট থেকেই শুরু করতে হয়।আমি এখন অভিনয় নিয়ে বড্ড ফোকাস"।


এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যতম পরিচিত মুখ কিন্তু প্রিয়াঙ্কা রায় কুন্ডু। যদিও এটাও নাকি ঘটনাবশত হয়ে গেছে। অন্তত মডেল অভিনেত্রী তাই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, " মডেলিংটাকেও যে কেরিয়ার হিসেবে নেবো তেমন কোনও প্ল্যান ছিল না। একদিন আমার পরিচিত একজন এমনিই আমার একটা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ার পর সেটা বেশ ভাল ফিডব্যাক পেয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে মডেলিংটাকে জানলাম এবং করতেও শুরু করলাম। বেশ ভালই ফিডব্যাক পাচ্ছিলাম। তারপর তো এটাই কেরিয়ার হিসেবে বেছে নিলাম।""


মাত্র দু' বছর হয়েছে তিনি মডেলিংকে তাঁর কেরিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যেই তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। শুধু তাই নয় বেশ কিছু ওয়েব সিরিজের অফারও পেয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে," স্ক্রিপ্ট আমার ভাল না লাগলে আমি ঠিক কাজটা করতে পারব না। এর আগেও প্রচুর অফার পেয়েছি। কিন্তু সেগুলো সবই ফিরিয়ে দিয়েছি।" 


জিজ্ঞাসা করলাম, " গান নিয়ে এখন কিছু করতে ইচ্ছে করে না?" তিনি জানালেন, ''সব কিছু করতে গেলে তো ঘেঁটে যাবে। তবে একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে গান গেয়েছি। ছবিটির নাম 'ম্যাসকিউরেড'। এছাড়াও আরও একটি ছবিতে গান গাওয়ার কথা আছে।'' 

তিনি আরও জানালেন যে, " তাঁর এই কেরিয়ারের প্রতিটা মোড়ে তাঁর স্বামী এবং পরিবার তাঁর পাশে আছে বলেই তিনি এতটা এগিয়ে যেতে পেরেছেন। প্রসঙ্গত আমার স্বামী একজন ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার।"


সবশেষে জিজ্ঞাসা করলাম, " এবার প্ল্যান কী?" তিনি বললেন, " জাস্ট কাজের প্রতি ফোকাস করতে চাই। ভাল কাজ করতে চাই ব্যস।"

(সাক্ষাৎকার- আদিত্য ঘোষ

ছবি- সংগৃহীত)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...