সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

' অদ্ভুতম' সত্যিই এক অদ্ভুত প্রচেষ্টা!



বাংলা ব্যান্ডের তালিকায় ঠিক কতগুলো ইনসটুমেন্টাল ব্যান্ড আজও বুক ফুলিয়ে তাঁদের বাজার ধরে রাখতে পেরেছে, সেই নিয়ে কিন্তু তর্ক থাকতেই পারে, হয়ত আছেও। তবে ‘ অদ্ভুতম’ যে সেই বাংলা ব্যান্ডের তালিকায় বেশ কিছুটা উপরের দিকে আছে, সেই নিয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই। আবার কেউ কেউ তো তাঁদের একদম ‘সেরা’ বলেও তকমা দিয়েছেন। যদিও শুধু বাংলা ব্যান্ডের তালিকায় বললে যদিও কিছুটা ভুল বলা হবে। কারণ তাঁদের তো কোনও গণ্ডি নেই, নেই কোনও পিছুটান। ভাষার দাপটকে দূরে ঠেলে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছে অগণিত দর্শকদের মধ্যে। সারা ভারত দাপিয়ে এসেছে এই ‘ অদ্ভুতম’ এই তিন দামাল যুবক। জিতে নিয়েছে অজস্র জাতীয় স্তরের পুরস্কার। তাঁদের ঘরনার নাম ‘রাগা-রক ফিউশান’ এবং তাঁদের বিশেষত্ব হল ‘অরিজিনালস’ অর্থাৎ নিজেদের তৈরি মিউজক।

২০১৪ সালে তৈরি হয় ‘অদ্ভুতম’। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে শ্রোতারা তাঁদের চিনতে শুরু করেন। তাঁদের কাজ ধীরে ধীরে সবার প্রশংসার পেতে শুরু করে। ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতের সঙ্গে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের অপূর্ব মেলবন্ধন তাঁদেরকে সেরার সেরা করে তোলে। তবে ‘ অদ্ভুতম’-এর সদস্য সোমক সিনহাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ শ্রোতারা কি শুধুমাত্র ইনসটুমেন্টাল শুনতে ভালবাসে ?’’ তিনি জানালেন, ‘’ হ্যাঁ ভালবাসেন, তবে নতুন কিছু করতে গেলে প্রতিবন্ধকতা আসে। কিন্তু আমরা আমাদের মিউজিক নিয়ে কোনও কমপ্রমাইজ করি না। দেশের অনেক জায়গায় শো করেছি, বেশ ভাল রিভিউ পেয়েছি তবে অনেকেই বলেছে যে একজন ভোকাল হলে ভাল হত। তবে এই ব্যাপারটাই আমাদের সবার থেকে আলাদা করে। এই অদ্ভুত কাজের জন্যই আমরা অদ্ভুতম। এটাই আমাদের পরিচিতি। ‘’

সোমক ছাড়াও সপ্তর্ষি শিত এবং সুমন মিত্র এই ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য। এরাই হলেন ‘অদ্ভুতম’- এর সেই ত্রয়ী যুবক। আগামী ২৭শে নভেম্বর ‘অদ্ভুতম’- এর দ্বিতীয় আল্যবাম ‘ স্পিরিট অফ ফিউশন’ রিলিজ করতে চলেছে। নতুন চমকের অপেক্ষায় আছে ‘ অদ্ভুতম’-এর অগণিত শ্রোতা।      
( সাক্ষাৎকার- আদিত্য ঘোষ
ছবি- সংগৃহীত)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

'ভাল কাজ করার তাগিদেই এগিয়ে যাওয়া, তাই ক্লান্তি লাগে না'

  একের পর এক স্ট্রেট ড্রাইভ। বিগত কয়েক বছর ধরে শুধু কাজ আর কাজ। এর বাইরে তিনি কিছু ভাবেননি এবং আজও ভাবতে চাইছেন না। কাজের প্রতি তাঁর কোনও ক্লান্তি নেই। একসঙ্গে দুই তিনটে ছবির কাজও করতে হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। শুধুমাত্র প্রোমোশনে যাওয়া নিয়ে তাঁর একটু আলস্য। আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানালেন, ‘ কাজের জন্য আমি দিনরাতের ক্লান্তিকেও দূরে ঠেলে দিতে পারি তবে প্রমোশনে যেতে আমার একটু আলস্য লাগে কিন্তু যেতে তো হয়, ওটাও আমার কাজের মধ্যে পড়ে।‘’ হিসেব কষলে দেখা যাবে গত ছয়মাসে অন্তত তাঁর পাঁচটি কাজ ওয়েব এবং বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে এবং আরও আট থেকে দশটি কাজ মুক্তির অপেক্ষায়। প্রসঙ্গত তিনি বেশ কয়েকবার ভেবে জানালেন যে তাঁর কোন কোন কাজ এই বছর আসতে চলেছে। যে অভিনেতা ভেবে বলেছেন যে তাঁর কাজের সংখ্যা কত, সেই অভিনেতা কি ‘সুপারস্টার’ বলার যোগ্য? তবে অনির্বাণ চক্রবর্তী ওইসব তমকায় গুরুত্ব দিতে রাজি নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য আজও পরিশ্রম করে যেতে চান এবং আগামী দিনেও ভাল কাজের জন্য পরিশ্রমকেই গুরুত্ব দিতে চান।  গত বছরের শেষের দিকে শাস্ত্রী, খাদান, চালচিত্র এবং অপরিচিত ইতিমধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ওয়েব...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারী

“ আমি ভেবেছিলাম যে অভিনেত্রী হব, হতেই হবে! অন্য কিছু করব না।‘’ কথাটার মধ্যে যেমন একটা জোড় আছে, যেমন একটা আত্মবিশ্বাস আছে ঠিক তেমনি একটা ভালবাসাও লুকিয়ে আছে। অভিনয়ের প্রতি চূড়ান্ত একটা টান আছে, হয়ত এটাই সফল হওয়ার মন্ত্র। অভিনেত্রী কোয়েল সঞ্চারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে মনেই হল না যে উনি একজন এত সফল অভিনেত্রী। উপরন্তু মনে হল, একজন অতি সাধারণ মানুষ, যিনি কিনা এখনও নিজেকে ‘ স্ট্রাগেলার’ বলতেই ভালবাসেন। আজকেই মুক্তি পেয়েছে পথিকৃৎ বসু পরিচালিত ছবি ‘ কে তুমি নন্দিনী’! আর এই সিনেমায় ‘ডোনা’ নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোয়েল। নায়িকার স্কুল জীবনের বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কেমন রেসপন্স পেলেন?’’ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে জানালেন, ‘’ এই তো সবে মুক্তি পেল, একটু সবুর করুন! তবে সিনেমার কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি, যেগুলো বেশ ভাল।‘’ এঁর আগেও অভিনয় করেছেন, রবি কিনাগী পরিচালিত ছবি ‘জামাই বদল’, হরনাথ চক্রবর্তীর‘ অমর প্রেম’ ছবিতে। এখানেই শেষ নয় তিনি এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক ‘ গ্যাং স্টার গঙ্গা’তে টুনটুনির ভূমিকায় অভিনয় করছেন। তাছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে, ‘ পটল কুমার গান...