সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

'ডি-কোম্পানি' নিয়ে কী জানালেন অভিনেত্রী নয়না গঙ্গোপাধ্যায়, জেনে নিন


তিনি বাংলার কিরনময়ী, অন্তত বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে এই নামেই পরিচিত অভিনেত্রী নয়না গঙ্গোপাধ্যায়। চরিত্রহীন ১,২ এবং ৩ প্রতিটি পর্বেই তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি বাংলার দর্শকের মনের মণিকোঠায় এখনও বেশ চনমনে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে একটা অভিমান কিন্তু আছেই! তিনি নাকি বাংলায় কম কাজ করেন? না না আমি নয়, দর্শকেরা বলে থাকেন। তবে তিনি এইসব ব্যাপারকে একদম পাত্তা দিতে চান না। তাঁর কথায়," কাজটাই আসল। সেটা কলকাতায় হোক কিংবা মুম্বইতে, কাজ করে যাওয়াটা আমার একমাত্র লক্ষ্য।"




২৬শে মার্চ বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে রাম গোপাল ভার্মার ছবি 'ডি-কোম্পানি'। আর এই ছবিতে দাউদ ইব্রাহিমের প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নয়না গঙ্গোপাধ্যায়। সিনেমার তাঁর নাম সুজাতা। রাম গোপাল ভার্মার ছবি মানেই একটু বিশেষ কিছু। সেটা ভূতই হোক কিংবা দগদগে থ্রিলার, রাম গোপাল ভার্মা মানেই থোৱা সা হাটকে!

মুম্বই, আন্ডার-ওয়ার্ল্ড, খুন, পলিটিক্স সব মিলিয়ে মিশিয়ে 'ডি-কোম্পানি'-এর মুক্তির অপেক্ষায় মুখিয়ে রয়েছে বড় পর্দা।


নয়না গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়," এই ছবিতে আমি একজন পাঞ্জাবি মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। নাম সুজাতা। সে দাউদের প্রেমিকা। দাউদের প্রেমিকা মানেই একটা স্ট্রং চরিত্র। আর আমি বরাবরই চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। প্রতিটা ছবিতেই কিছু চমক রাখি, এই ছবিতেও আছে এবং ছবিটা সবমিলিয়ে একটা কমপ্লিট প্রজেক্ট। আশা করি দর্শকেরা হলে গিয়ে সিনেমাটা দেখবে।"



এখানেই শেষ নয়, অভিনেত্রী তাঁর ব্যস্ত শিডিউলে মধ্যে আরও জানালেন যে," এই মাসের শেষেই হয়ত ডেনজেরাস রিলিজ করতে পারে।" তবে তিনি নাকি আরও দুটো প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন! কিন্তু সেই ব্যাপারে তিনি নৈব নৈব চ!

(সাক্ষাৎকার- আদিত্য ঘোষ

ছবি-সংগৃহীত)

 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

নাট্যকর্মীকে পুলিশের 'হুমকি', মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ

ঘড়িতে তখন সন্ধ্যে পৌনে সাতটা।  শুক্রবার অফিস ফেরত অনেক যাত্রীর মতো নাট্যকর্মী রণিত পাল শিয়ালদহ শাখার মেন লাইনে চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের কাছে অপেক্ষা করছিলেন বাড়ি ফেরার জন্য। ঝড়ের জন্য অনেক ট্রেন সেদিন দেরিতে চলছিল। হঠাৎ তিনি দেখতে পান কয়েকজন যাত্রী একজন যুবককে পকেটমার সন্দেহে মারধর করছেন ।  আর তার ঠিক সামনেই    পুলিশ কিয়স্ক। তিনি প্রথমে পুলিশের দারস্থ হয়ে ওই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু উল্টে তাঁকে বলা হয় যে, ‘’ আপনি গিয়ে করুন না।‘’ তবে নাট্যকর্মী রণিত পাল এবং আরও কয়েকজন যাত্রী অনেক অনুরোধ করলে অবশেষে সেই ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করে জিআরপি। ঘটনা এখানেই শেষ নয়। রণিত পালের অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান একজন পুলিশকর্মী। তারপর শুরু হয় গালিগালাজ। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে মারধরও করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ছবি তুলে মিথ্যে মালালায় ফাঁসানো হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। তিনি শিয়ালদহ জিয়ারপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে, আরও বিপদে পরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তিনি যদি লিখিত অভিযোগ জানান তাহলে নাকি তিনি সমস্যায় পরতে পারেন। তাঁর বিরুদ্ধে নাকি মানহানির ...