সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আটপৌরের মুখোমুখি অভিনেত্রী বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়




ছোট থেকেই তিনি ভেবেছিলেন যে তাঁকে অভিনেত্রী হতে হবে! শুধু তাই নয় অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংটাও করতে হবে। তিনি কিন্তু পেরেছেন। যদিও তাঁর জার্নিটা সবে মাত্র শুরু হলেও, তিনি তাঁর অভিনয় ক্ষমতা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। কী ভাবছেন, কার কথা বলছি ? 

আপনি কি শকেত ব্যানারজী পরিচালিত ‘ওহ!মাদার’ ওয়েব সিরিজটি দেখেছেন ? কিংবা অরিন্দম শীল পরিচালিত ‘ ব্যোমকেশ গোত্র’ সিনেমাটি দেখেছেন ? সেই সিনামায় যিনি মীরার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, তাঁকে মনে পড়ছে? আজ্ঞে হ্যাঁ, আমি অভিনেত্রী বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়-এর কথা বলছি। তবে তাঁর কাজের ঝুলি এখানেই শেষ নয়, আগামী বছরের শুরুতেই আসতে চলেছে রোহন সেন পরিচালিত ছবি ‘ এভাবেই গল্প হোক’। যেখানে তিনি অন্যতম মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও তথাগত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবি ‘ভটভটি’তে তিনি কাজ করছেন।



যদিও তাঁর হাতেখড়ি কিন্তু বাংলা ধারাবাহিক দিয়ে। প্রথমে কলকাতায় কাজ শুরু করলেও তিনি কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিন্তু পাড়ি দিয়েছেন আরব সাগরের তীরে। হিন্দি ধারাবাহিক ‘ চন্দ্রকান্তা’  তাঁকে দর্শকদের কাছে পরিচিত করেছে। তারপর  তাঁর ‘ওহ!মাদার’-এ অভিনয় অজস্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। সেই থেকে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

যদিও অভিনেত্রী বিবৃতি চট্টোপাধ্যায় একদমই শর্টকাটে বিশ্বাসী নন। তিনি পরিশ্রম করতে ভালবাসেন। ভাল কাজ করতে ভালবাসেন। অভিনয়ের সঙ্গে যেন তাঁর আত্মিক যোগ! শুধু তাই নয় তিনি যে কোনও ইন্ড্রাস্টিতেও কাজ করতে ইচ্ছুক। কলকাতা-মুম্বই নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই! তাঁর কথায়, ‘’ ভাল কাজটাই আসল!’’



অভিনেত্রীর ছোটবেলা কেটেছে রাজস্থানে। তারপর কলকাতায় পড়তে আসা। সেই থেকেই মডেলিং এবং তারপর মুম্বই পাড়ি দেওয়া। তাঁর কথায়, ‘’ আমার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে ভাল লাগে না, আবার এক জায়গায় বেশীদিন থাকতেও ভাল লাগে না।‘’ কথাটা শেষ করেই অভিনেত্রী হাসতে হাসতে বললেন, ‘’ কাজ ছাড়া যদিও আমি খুব একটা এদিক-ওদিক করি না!’’

জিজ্ঞাসা করলাম ‘’বাংলার কোন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক?’’ তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘’ যিনি আমাকে যোগ্য বলে মনে করবেন, তাঁর সঙ্গে!’’ আবারও জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ কোন অভিনেতার বিপরীতে কাজ করতে ইচ্ছুক ?’’ তিনি জানালেন, ‘’ আবীর চট্টোপাধ্যায়!’’ সবশেষে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘’ আপনি কি সিঙ্গেল না কমিটেড ?’’ তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘’ নো কমেন্ট!’’  

( সাক্ষাৎকার- আদিত্য ঘোষ
ছবি- সংগৃহীত) 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"যোগাসনের বিকল্প কিছু নেই" :শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায়

  আজকাল সুস্থ থাকার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকি। ইদানীং কালে খুব কম বয়সে হৃদরোগের কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যা থেকে আরও জটিল প্রাণঘাতী রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিদিন সময়ের তালে ছুটে চলার তাগিদে আমাদের জীবন ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আর এই কঠিন সময়ে শরীরচর্চার যে সময়টুকু পাওয়া যায়, আমরা অনেকেই জিমে গিয়ে ভারী ভারী লোহালক্কর তুলে থাকি আবার অনেকেই ভোরবেলা হেঁটে থাকেন। প্রাচীন কাল থেকে যোগঅভ্যাস আর প্রাণায়ামের সুখ্যাতি আছে। অনেকেই অভ্যাস করে থাকেন। অনেকের জীবনে   বদলে দিয়েছে যোগঅভ্যাস। তবে জিম না যোগঅভ্যাস এই নিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক আছে। নাকি শুধুমাত্র হাঁটলেই মিলবে অনেক রোগ থেকে মুক্তি? তর্ক চলবেই। অনেক বিশেষজ্ঞরা অনেক পরামর্শ দিয়েই থাকেন তবে কোভিড পরবর্তী সময়ে যোগঅভ্যাসের একটা বিরাট প্রচলন শুরু হয়েছে। বিশেষত একটা সময় বয়স্করা প্রতিনিয়ত যোগঅভ্যাস করে থাকলেও ইদানীং সববয়সীদের মধ্যে এই প্রচলন দেখা যাচ্ছে। যোগব্যায়াম বিশেষজ্ঞ শিবগঙ্গা টিঙ্কু গঙ্গোপাধ্যায় আটপৌরের মুখোমুখি হয়ে জানালেন যে," যোগব্যায়ামের বিকল্প কিছু নেই। প্রাণায়াম এবং যোগব্যায়াম একজন মানুষকে সম্পূর্নরূপে বদলে দিত...

কেয়া পাতার নৌকা

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------   সঞ্জয় ঘোষ কেয়া পাতার নৌকো ভাসে,                 ছোট্টো বোনের রাখির সাথে,                   অপেক্ষার নদী প্রবাহে বয়                   ভাইফোঁটা তার স্মৃতিতে রয়। কেয়া পাতার সেই নৌকো ভাসে,     পদ্মা নদীর প্রবাহের সাথে, কাঁটাতাঁরের সেই সাজানো ফাঁকে,     মাঝির ভাঁটিয়ালি গান বাজে।              বঙ্গভঙ্গ হোক না যতই,            এমন কাঁটাতাঁর তৈরি কতই,             রাখিবন্ধন, ভাইফোঁটাতে                এমন নৌকো ভাসবে ততই। কেয়া পাতার সেই নৌকো থামে       পদ্মা নদীর ওপার গ্রামে,   দাদার হাতে ঐ রাখি সাজে,   শঙ্খের নিনাদ সারা বাংল...

প্রথম লোকটা বেশ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘’ ধুর বাল! আপনি কি কিছু বলবেন নাকি একবারে ওপরে উঠে বললেন? ‘'

‘’ দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ খালের ধারে বসে থাকা অন্য লোকটি একবারে নিশ্চুপ ! প্রথম লোকটির কথা সে হয়ত শুনতেও পেল না । কিন্তু অন্য লোকটি মুখে একটা বিড়ি ধরিয়ে বেশ হন্তদন্ত হয়ে দেশলাই খুঁজছে । লোকটি আবার বলল , ‘’ ও দাদা , দেশলাই হবে নাকি ?’’ কিন্তু কোনও কথায় লোকটির কানে গেল না ! এবার সেই প্রথম লোকটি দ্বিতীয় লোকটির কাছে এসে বলল , ‘’ আরে দাদা , যা হওয়ার তা হয়ে গেছে , ওসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই । ‘’ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে নামবে । ব্রিজের নীচে খালটা এমনই ফাঁকাই থাকে , কিন্তু আজ বেশ ভিড় । বিশেষত পুলিশ এবং সাংবাদিকদের । তবে এই দু ’ জন তার থেকে অনেকটা দূরে একটা নিরিবিলি জায়গায় আছে । সামনেই রেললাইন । যদিও এই লাইনে ট্রেন খুব একটা আসা যাওয়া করে না । সারাদিনে হয়ত পাঁচ জোড়া । খালের জল ধীর গতিতে বয়ে চলেছে । তবে যতদূর দেখা যায় , খালের সামনেটা বেশ নোংরা ! কয়েকটা কুকুর মরা পড়ে রয়েছে । বেশ গন্ধও বেরোচ্ছে । তবে ঐ দু ’ জন ব্যক্তি সেই সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ।   প্রথম লোকটি দেশলাই না পেয়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই দ্বিতীয় লোকটির পাশে বসে পড়ে বলল, ‘’ ধুর শালা! কী জন্য বেড়িয়েছিলাম আর কী হয়ে ...